চীনে বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) ১৫ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে আয়োজিত একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচি ২ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণে অংশ নিতে কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে চীনে পৌঁছেছে। কর্মসূচির আওতায় তারা চীনের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, সুশাসন, উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্থানীয় সরকার পরিচালনা এবং আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি ও উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন তারা।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা হলেন— ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া, আতিকুর রহমান রুমন, ড. জুলিয়া মঈন, মো. মনিরুল ইসলাম পাটওয়ারী, জেসমিন আক্তার, মো. মেহেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবদুল জাব্বার, মো. মাহবুবুর রহমান, আনোয়ার উল হালিম, তারিক হাসান, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরওয়ার, এস এম পারভেজ, মো. আব্দুস সত্তার পাটুয়ারী, মোহাম্মদ মামুন শিবলী এবং মো. উজ্জল হোসাইন।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আগে ঢাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন: ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের আশ্বাস
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা চীনের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত জ্ঞান বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ চীনা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রশাসনিক সহযোগিতা, সুশাসন এবং দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে। তিনি দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সরকারি কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।





