জাতির প্রত্যাশা ও কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়েই এবারের বাজেট: অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণ এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে সামনে রেখেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: দেশের ৫৫তম বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানুষের জীবনমানের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ চাহিদার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বাজেটের বিভিন্ন খাত নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে, ফলে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও তুলনামূলকভাবে বেশি।
তিনি বলেন, “জাতির প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এবারের বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে। দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে।”
আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৬-২৭: স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার পরিকল্পনা
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সীমিত সম্পদের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। অতীতের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নেওয়া এবং ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে দেশকে টেকসই উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়ার যে প্রচেষ্টা, তার প্রতিফলন এবারের বাজেটে রয়েছে।”
বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিককে জাতীয় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল যাতে সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে, সেদিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাজেট বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।





