নিজেকে ছোট ভাববে না, নিজেকে গড়ে তোলো: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:০২ অপরাহ্ন, ২৭ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৮:০২ অপরাহ্ন, ২৭ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

‘নিজেকে ছোট ভাববে না, নিজেকে গড়ে তোলো’ আহ্বান রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তাহলেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

সোমবার বিকালে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: ২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ৩২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার

তিনি বলেন, তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো সঠিকভাবে, তাহলেই আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে গড়ে তুলতে পারবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই যে গ্যালারিতে হাজার হাজার ছোট বন্ধুরা তোমরা বসে আছো, তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের একজন ভালো ডাক্তার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো আর্কিটেক্ট বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো ক্রিকেটার বের হবে, ভালো সুইমার বের হবে, ভালো টেনিস খেলোয়াড় বের হবে।

অর্থাৎ তোমাদের মধ্যে থেকে খেলোয়াড় বের হবে। আজ তোমরা সেটা প্রমাণ করে দেখিয়েছো। তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের ভালো মানুষ তৈরি হবে, যারা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। কাজেই নিজেকে কখনো ছোট ভাববে না, নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। তুমি যত শক্তভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে, তুমি তোমার বাংলাদেশকে তত সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারবে।

আরও পড়ুন: এলএনজি সংকটে অচল শিল্প, রান্নাঘরে হাহাকার—আর কতদিন এভাবে?

বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান হয়।

প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল খেলা মাঠের পাশে বসে উপভোগ করেন। এ সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ, মীর হেলাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

‘গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিডিয়ার ভাই, আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, সেটা ইলেকট্রনিক মিডিয়া হোক বা প্রিন্ট মিডিয়া হোক, আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ আছে। আপনাদের মাধ্যমে আপনাদের যে কর্তৃপক্ষ, অর্থাৎ এডিটর সাহেবরা আছেন, তাদের কাছেও আমার অনুরোধ আছে। এই যে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস হলো, আজকে ফাইনাল খেলা হলো—আজকে আমরা সবসময় দেখি যে পত্রিকায় বা নিউজে বিভিন্ন বিষয় হাইলাইট করা হয় বা লিড নিউজ করা হয়ে থাকে। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, আজকে যে ইভেন্টটি আপনারা দেখে গেলেন, এই ইভেন্টটি হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

যারা প্যান্ডেলের নিচে বসে আছে, যারা গ্যালারিতে বসে আছে, তারা হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, যত নিউজই থাক, আগামীকাল আপনাদের সম্প্রচারিত প্রতিষ্ঠানে, আপনাদের পত্রিকায় যদি আজকের এই বাচ্চাদের খেলা, আজকের এই ভবিষ্যৎ যারা আছে, তাদের নিউজটি যেন আগামীকাল লিড করা হয়। এটি আমার অনুরোধ রইল আপনাদের কাছে। আশা করি, আপনারা কালকের বা রাতের ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে আমাদের এই ভবিষ্যৎকে তুলে ধরবেন।

তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশ অনেক সমস্যায় আছে। আমরা সেটি অস্বীকার করছি না। কিন্তু এই সমস্যার পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বাংলাদেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে পারব। আমরা জানি, তোমাদের যে স্কুল-কলেজগুলো আছে, অনেক স্কুলে হয়তো সঠিক ব্যবস্থা নেই। অনেক স্কুলে হয়তো ফ্যান ঠিকভাবে নেই।

আমরা কাজ করছি। তোমাদের এই সরকার কাজ করছে। তোমাদের স্কুলগুলো যাতে ধীরে ধীরে আমরা গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু আজকে এই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ইভেন্টে তোমাদের কাছ থেকে আমি একটি কথা নিতে চাই। আমরা এই দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। এই কাজটি আমরা তখনই করতে পারব, যখন তোমরা যারা গ্যালারিতে বসে আছো, আমার হাতের বাম পাশে তোমরা যারা খেলোয়াড়রা বসে আছো, যারা পুরস্কার পেয়েছো, তোমরা যদি নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো, তাহলে আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব।

‘তোমাদের মধ্য থেকে খেলোয়াড় বের হবে’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো সঠিকভাবে, তাহলেই আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে গড়ে তুলতে পারবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই যে গ্যালারিতে হাজার হাজার ছোট বন্ধুরা তোমরা বসে আছো, তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের একজন ভালো ডাক্তার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো আর্কিটেক্ট বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো ক্রিকেটার বের হবে, ভালো সুইমার বের হবে, ভালো টেনিস খেলোয়াড় বের হবে।

অর্থাৎ তোমাদের মধ্যে থেকে খেলোয়াড় বের হবে। আজ তোমরা সেটা প্রমাণ করে দেখিয়েছো। তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের ভালো মানুষ তৈরি হবে, যারা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। কাজেই নিজেকে কখনো ছোট ভাববে না। নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। তুমি যত শক্তভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে, তুমি তোমার বাংলাদেশকে তত সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারবে।

‘বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে কে কে কাজ করবে?’—প্রশ্ন রেখে গ্যালারিতে বসে থাকা কিশোর-কিশোরীদের জবাব জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে আছো তোমরা। কারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাও? হাত তোলো।

এ সময় পুরো গ্যালারির হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী একসঙ্গে হাত উঁচু করলে প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান।

‘পড়ার সময়ে মন দিয়ে পড়তে হবে’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ার সময়ে মন দিয়ে পড়তে হবে।

কিন্তু খেলার সময় একইভাবে মন দিয়ে খেলতে হবে।

‘পরিবেশ ঠিক করতে সহযোগিতা চাই’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট ছোট বন্ধুরা, তোমাদের সকলের কাছে আমি একটি সহযোগিতা চাই। একটি সাহায্য চাই। সেটি কী সাহায্য? এই দেশটা আমাদের সকলের দেশ। এই দেশের আলো, এই দেশের বাতাস, এই দেশের পরিবেশ আমরা সকলে মিলে যদি ঠিক রাখি, তাহলে আমরা একটি সুন্দর পরিবেশে থাকতে পারব। তুমি সুন্দর পরিবেশে বড় হতে পারবে, তুমি সুন্দর পড়ালেখা করতে পারবে।

সেইজন্য আমি তোমাদের সকলের কাছে যে সাহায্যটি চাই, তোমরা নিশ্চয়ই দেখেছো, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তোমার বাসার আশপাশে অনেকে বিভিন্ন রকম ময়লা ফেলে যায়, বিভিন্ন রকম প্লাস্টিকের বোতল ফেলে যায়—সেটি পুকুর হোক, নদীনালা হোক বা বাসার আশপাশে। এখন থেকে যদি এরকম কোনো দৃশ্য তোমাদের চোখে পড়ে, প্লিজ তোমরা তাকে বারণ করবে। দরকার হলে সেই ময়লাটি তোমরা তুলে নিয়ে গিয়ে যেখানে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা আছে, সেখানে ফেলবে।

তিনি বলেন, আরেকটি কাজ তোমাদেরকে করতে হবে। কেউ যদি পুকুর-নদীনালায় ময়লা ফেলে, যদি তুমি পারো, বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে সেই ময়লাটি পরিষ্কার করবে, যাতে আমাদের পরিবেশ, আমাদের নদীর পানি, পুকুরের পানি পরিষ্কার থাকে, যাতে সেখানে মানুষ সুন্দরভাবে হাঁটাচলা করতে পারে বা পুকুরপাড়ে বসতে পারে।

আরেকটি সহযোগিতা চাই। তোমাদের হেল্প চাই। আমার সেই হেল্পটি হচ্ছে—প্রতিবছর চেষ্টা করবে তোমার বাড়ির আশপাশে, তোমার স্কুলের আশপাশে অথবা যেখানে তুমি সুবিধা মনে করো, সেখানে একটি করে গাছ লাগাবে। যদি আমরা গাছ লাগাতে পারি, আমাদের পরিবেশ সুন্দর হবে, পরিষ্কার হবে। আমরা সকলে মিলে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী পশুপাখির প্রতি সদয় হওয়ার অনুরোধ রেখে বলেন, আরেকটি কাজ তোমাদেরকে করতে হবে। আমাদের কিছু কিছু মানুষ আছে, যারা প্রকৃতির প্রতি, বিভিন্ন পশুপাখির প্রতি অত্যন্ত নির্দয় হয়। আজকে আমার সকল ছোট বন্ধুদেরকে আমি অনুরোধ করব, আসো আমাদের আশপাশে যত কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলসহ যত রকম পশুপাখি আছে, আমরা চেষ্টা করব এরা আমাদের দেশের সম্পদ, এদের যত্ন নেব।

এই যে প্রকৃতির আল্লাহ দেওয়া বিভিন্ন জীবজন্তু ও পশুপাখি আছে, তাদের যেন কোনো প্রকার ক্ষতি না হয়, সেই চেষ্টা আমরা করব। কী বন্ধুরা? আমাকে এই হেল্পটা করবে তোমরা?

এ সময় কিশোর-কিশোরীরা সমস্বরে হ্যাঁসূচক জবাব দেয়।

‘আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আছি তোমাদের সঙ্গে। তোমরা পড়ালেখা করতে চাইলে সরকার থেকে আমরা তার ব্যবস্থা করব, যাতে সে ভালো করে পড়ালেখা করতে পারে। তোমরা যে গান গাইতে চাইবে, যে ছবি আঁকতে চাইবে, যে খেলাধুলা করতে চাইবে, আমরা সব রকম সহযোগিতা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে সরকার।

কিন্তু তোমাদেরকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে হবে। তোমাদের দিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তাকিয়ে আছে। বাংলাদেশ তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তোমরা যদি নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো, আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। এই কাজ আমরা হয়তো শুরু করেছি। কিন্তু বাংলাদেশ গড়ার কাজ তোমাদেরকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীসহ বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার এই পর্যন্ত আসার জন্য তাদের পরিবারের বাবা-মাদের আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। তাদের স্কুলের শিক্ষক, যারা সহযোগিতা করেছেন, বিভিন্ন কোচ, যারা সহযোগিতা করেছেন—প্রত্যেক মানুষকে আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

আপনারা যে কষ্ট করেছেন, সেই কষ্টের মূল্য ইনশাআল্লাহ আপনারা পাবেন। যখন আপনারা এই বাচ্চাগুলোকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হতে দেখবেন, সেদিন আপনাদের সঙ্গে আমাদের সকলের বুক ভরে উঠবে। এই মাঠে আজ আমাদের বাচ্চারা খেলেছে। এই মাঠে কেউ জিতেছে, কেউ এখনো জিততে পারেনি। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে তারা আবার প্রতিযোগিতা করবে। আসুন, আমরা চেষ্টা করি, এই মাঠ নয়—আমাদের বাচ্চারা যেন আগামী দিনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মাঠে জিতে ট্রফি বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারে। এটিই হোক আজকের আমাদের প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার ফুটবল ফাইনালে বালকদের মধ্যে সিলেট অঞ্চল এবং বালিকাদের মধ্যে রংপুর অঞ্চল বিজয়ী হয়। বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন এবং প্রতিযোগীদের হাতে ক্রেস্ট, মেডেল ও চেক প্রদান করেন।

বালকদের ফুটবলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ময়মনসিংহ অঞ্চলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে সিলেট অঞ্চল বিজয়ী হয়। বালিকাদের ফাইনালে উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় ক্ষুদে কিশোরী ফুটবলাররা রাজশাহী অঞ্চলকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা লাভ করে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিকেল ৪টায় বালিকাদের ফাইনাল খেলাটি স্টেডিয়ামের মাঠের পাশে বসে উপভোগ করেন।

এ সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ, মীর হেলাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান বালিকাদের ফুটবল খেলা উপভোগ করেন।

গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আঞ্চলিক পর্যায়ে সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ক্ষুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে ধারাবাহিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। জাতীয় পর্বের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন ভেন্যুতে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম বক্তব্য রাখেন।