দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর আহমেদ, দেশে ফেরাতে উদ্যোগের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ন, ১৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৫:৩৪ অপরাহ্ন, ১৬ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার প্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, গত ১২ জুন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়। বর্তমানে তিনি দুবাই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে দুদক।

আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ

এদিকে, দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।”

আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন। পরে ২০২৬ সালের ৮ মার্চ ঢাকার একটি আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং বিদেশে অবস্থান করায় ইন্টারপোলের মাধ্যমে পরোয়ানা কার্যকরের নির্দেশ দেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।

২০২৪ সালের ৪ মে স্ত্রী ও মেয়েদের সঙ্গে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশ ত্যাগ করেন বেনজীর আহমেদ। এরপর থেকে তিনি জনসমক্ষে আর দেখা দেননি।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই পদে দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসে র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা। সে সময় র‌্যাবের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।