দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয়নি, প্রতিবাদে ফিরেছি: তথ্য উপদেষ্টা

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:১৪ অপরাহ্ন, ১৬ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১:০০ অপরাহ্ন, ২৪ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে আটকে রাখা বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে তাকে একটি স্থানে বসতে দেওয়া হয়েছিল। পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আন্তরিকতার সঙ্গে তাকে ভারতে প্রবেশের অনুরোধ জানালেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে তথ্য অধিদফতরে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “সেখানে আমাকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। একটা জায়গায় বসতে দেওয়া হয়েছিল। ওখানে কোনো রুমে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে—এটা সঠিক নয়।”

আরও পড়ুন: সব অংশীজনের মতামতে চূড়ান্ত হবে সংবিধান সংশোধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, “আমি সেখানে ব্যক্তি হিসেবে যাইনি, সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। ফলে আমার সঙ্গে যা হয়েছে, তার একটি তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ প্রয়োজন ছিল। সে কারণেই আমি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জানান, এক পর্যায়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতে প্রবেশের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছে। তবে তিনি তার নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

আরও পড়ুন: ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তার ভাষায়, “প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে তখন আমার মনে হয়েছে, রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা বা সিগনেচার থাকা দরকার। সেই বিবেচনা থেকেই আমি আর নিয়মিত কর্মকাণ্ডে অংশ নিইনি।”

এর আগে গত রোববার ভারতের ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ)-এর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা ত্যাগ করেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়। পরে তিনি ভারতে প্রবেশ না করেই ঢাকায় ফিরে আসেন।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।