চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে আজ চলবে এইচএসসি পরীক্ষা
এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চললেও বুধবার (১৫ জুলাই) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এক ফেসবুক পোস্টে জানান, চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো পরীক্ষা নেওয়ার জন্য উপযোগী রয়েছে।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি বলেন, বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ থাকলেও বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও দেশের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও মানসিক অবস্থার গুরুত্ব সরকার গভীরভাবে বিবেচনা করছে। নিরাপদ পরিবেশে পরীক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির মূল্যায়ন করে যথাসময়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করাও সরকারের দায়িত্ব।
আরও পড়ুন: বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর
তিনি জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। কোথাও যাতায়াতে সমস্যা বা জলাবদ্ধতা দেখা দিলে প্রয়োজন অনুযায়ী কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত বা পরীক্ষার সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থানীয় প্রশাসন নিতে পারবে।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া দেশের অন্য কোথাও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে, তিনি চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সঙ্গে একই দিনে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নে দুটি ভুল থাকার অভিযোগের বিষয়ে সরকার জানিয়েছে, ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। সরকারের ভাষ্য, এটি শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত।





