ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি আওয়ামী লীগ দখলে রেখেছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমির একটি অংশ আওয়ামী লীগ দখল করে রেখেছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিককে বঞ্চিত করা হবে না এবং সবার সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। এ সময়ে দেশে কেউ গুমের শিকার হননি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নির্যাতনের অভিযোগও নেই বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর চর্চা চলছে। গণতন্ত্রের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কেউ ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে সংখ্যালঘু নন। সবাই এ দেশের নাগরিক এবং সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেকের অধিকার সমান। সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘুর বিভাজন না করে নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
গণঅভ্যুত্থানের পর বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করার কথাও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি নিয়ে বক্তব্য
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ১৯৯৬ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট একটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি মন্দির এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন। তখন সেখানে প্রায় আড়াই একর জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বাকি জমি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারের হাতে থাকা আড়াই একর জমি মূলত শ্মশানের জায়গা ছিল। শ্মশান না হলে ওই জমিও দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।
বর্তমানে ওই জমি উদ্ধারের বিষয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ে সম্পত্তির মালিকানা বা দখল একাধিকবার পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে কার কাছ থেকে জমি ফেরত নেওয়া হবে, সেটি এখন একটি বাস্তব জটিলতা।





