অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে ওএসডি

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১৩ অপরাহ্ন, ২০ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৮:২৬ অপরাহ্ন, ২০ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর ক্ষিলক্ষেতে ভাড়া দেওয়া বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ৮৪ জন আটকের পর অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে তার ওই বাড়িতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানের পর বিকালে পুলিশ সদর দপ্তরের রিঅ্যার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখায় কর্মরত এ কর্মকর্তাকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীর ক্ষিলক্ষেত থানাধীন পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের তিনতলা বাড়িতে মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালানোর তথ্য দেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

ওই বাড়িতে রাতভর ‘ডিজে পার্টি, মাদক সেবন ও মাদকের কারবার’ চলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশের উত্তরা বিভাগের একটি দল। আটকদের মধ্যে ২৬ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষ। তাদের মধ্যে আফগানিস্তানের একজন নাগরিকও রয়েছেন।

আরও পড়ুন: রাজধানীসহ সারাদেশে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তি-সম্প্রীতির বার্তা

বাড়িটি থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ, কনডম ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করার তথ্য দেন ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা।

ডিএমপির ডিবি প্রধান শফিকুল বলেন, বাড়িটি অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের। তিনি এয়ারবিএনবির মাধ্যমে বাড়িটি ভাড়া দিয়েছিলেন। সেখানে অবৈধভাবে মাদক সেবন ও ডিজে পার্টি চলছিল। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি জহির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তার এ বাড়ি এয়ারবিএনবি (আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস, যা ব্যবহারকারীদের বিশ্বজুড়ে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদী বাসা, অ্যাপার্টমেন্ট, বাড়ি ভাড়ার ব্যবস্থা করে দেয়) ও ট্রাভেলার প্ল্যাটফর্মে ভাড়া দেওয়ার জন্য তালিকাভুক্ত। জন্মদিনের অনুষ্ঠান ও গায়ে হলুদের মত আয়োজনের জন্য বাড়ির দুই কাঠার ছোট উঠানটি ভাড়া দেওয়া হয়।

ভাড়া দেওয়া বাড়িতে বাড়িওয়ালার আড়ালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হলে তার দায় বাড়িওয়ালার ওপর বর্তানো উচিত কি না, সেই প্রশ্ন তুলে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আপনার ঢাকা শহরে একটা ফ্ল্যাট আছে। আপনি একজনকে ভাড়া দিলেন। সে আড়ালে অপরাধ কর্মকাণ্ড করছে, সেই অপরাধের দায়তো তার। বাড়িওয়ালা কীভাবে সেটা সামাল দেবে? যখন জানতে পারবে, তখন তাকে আর ভাড়া দেবে না, কালো তালিকাভুক্ত করবে অথবা বের করে দেবে।”