হাসনাতের জন্য আসন ছাড়লেন জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১৯ অপরাহ্ন, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১২:১৯ অপরাহ্ন, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী সমঝোতার বাস্তব প্রভাব দেখা গেল মাঠপর্যায়ে। এর অংশ হিসেবে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম (শহিদ) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এই আসনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা আটটি দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয় এনসিপি। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকায় জোটের শীর্ষ নেতাদের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কুমিল্লা-৪ আসনে এই সমঝোতার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়।

আরও পড়ুন: এবার গানম্যান পেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, যিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি, রোববার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। কুমিল্লা-৪ আসনটি এনসিপির মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর নিজ এলাকা।

এর আগে, গত ২৩ ডিসেম্বর এনসিপির নেতা-কর্মীরা জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। একই সময়ে জামায়াতের পক্ষ থেকেও ওই আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: পিছনের দরজা দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্র এখনো চলছে: ডা. রফিক

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে রোববার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে সাইফুল ইসলাম লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ। কেন্দ্রীয় সংগঠনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে নির্বাচন থেকে নিজেকে আড়াল করে নিলাম। আল্লাহ যেন দ্বীন কায়েমের পথে আমৃত্যু টিকে থাকার তৌফিক দান করেন।

পরে তিনি আরও বলেন, সংগঠন থেকে যেই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, সেটাকে আমি স্বাগত জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আমাদের কর্মীদের ত্যাগের জন্য মহান রবের কাছে দোয়া করি। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও দেবীদ্বারের মানুষের পাশে সব সময় থাকব।’

এনসিপি ও জামায়াতের এই আসন সমঝোতার ফলে কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণ নতুন রূপ নিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। আগামী দিনে এই সমঝোতা অন্যান্য আসনেও কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও চলছে আলোচনা।