ঈদে শ্রমিকদের বেতন–বোনাস নিশ্চিতে সক্রিয় শিল্প পুলিশ

Sanchoy Biswas
জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, আশুলিয়া
প্রকাশিত: ৫:৫১ অপরাহ্ন, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৫ অপরাহ্ন, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শিল্পাঞ্চলে সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়াতে এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন–বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে শিল্প পুলিশ।

শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার তালিকা প্রস্তুত, মালিক–শ্রমিক সংলাপ এবং সরকারের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: কৃষকের আয় বাড়াতে প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণায় গুরুত্বারোপ

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় আল-ফারাবী ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ঈদকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আগেভাগেই মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করা এবং শিল্পাঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক চলছে।

আরও পড়ুন: সারাদেশে ২০ হাজার কিমি খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

পুলিশ সুপার জানান, সোমবার গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)-এর প্রতিনিধিসহ শিল্প পুলিশের সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। যেসব কারখানা ঈদের আগে বেতন দিতে সমস্যায় পড়তে পারে, সেগুলোর বিষয়ে বৈঠকে করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—শ্রমিকরা যেন সময়মতো বেতন–বোনাস পান এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পারেন।”

বন্ধ, লে-অফ বা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা কারখানাগুলোর বিষয়ে তিনি জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সরকারের কাছে পাঠানো হচ্ছে। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং কারখানা পুনরায় চালু ও বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে। এ বিষয়ে শিগগিরই কার্যকর সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল হক সজীব পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফয়সাল হোসেন, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।