ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

Sadek Ali
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, ২০ মে ২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, ২০ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন শেষেই জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে পঞ্চম দিনের সকালে প্রতিরোধ গড়ে কিছুটা ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। শেষ পর্যন্ত সেই জুটি ভেঙে আবারও বাংলাদেশের ত্রাতা হয়ে ওঠেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে ঘরের মাঠে প্রথমবার টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার কীর্তি গড়ল টাইগাররা।

আরও পড়ুন: ২২ বছর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল

৪৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান করেছিল পাকিস্তান। শেষ দিনে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল আরও ১২১ রান। অন্যদিকে বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র তিন উইকেট।

পঞ্চম দিনের শুরুতে ব্যাট করতে নামেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। দিনের শুরুতেই রিজওয়ানের ক্যাচ মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নাহিদ রানার বলে স্লিপে সুযোগ পেয়েও সেই ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন: বিটিভিতে সরাসরি দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ?

এরপর রিজওয়ান ও সাজিদ খান ধীরে ধীরে চাপ বাড়াতে থাকেন। অষ্টম উইকেটে গড়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এতে পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেও সেই স্বপ্ন ভেঙে দেন তাইজুল ইসলাম।

সাজিদ খানকে আউট করে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই স্পিনার। ৩৬ বলে ২৮ রান করে বিদায় নেন সাজিদ।

এরপর সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে যাওয়া রিজওয়ানকেও ফিরিয়ে দেন শরিফুল ইসলাম। মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৬৬ বলে ৯৪ রান করেন পাকিস্তানের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার।

খুররাম শেহজাদ শূন্য রানে আউট হন। অন্যদিকে মোহাম্মদ আব্বাস অপরাজিত থাকেন শূন্য রানেই।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন তাইজুল ইসলাম। ৩৪ দশমিক ২ ওভার বল করে ১২০ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া নাহিদ রানা দুটি এবং শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ২৭৮ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তোলে স্বাগতিকরা। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান। তবে শেষ পর্যন্ত তারা গুটিয়ে যায় ৩৫৮ রানেই।