‘নিজেদের ক্যারিয়ারকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন, নারীদের কঙ্গনার বার্তা

Any Akter
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৬ অপরাহ্ন, ২০ মে ২০২৬ | আপডেট: ১:১২ অপরাহ্ন, ২০ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

উপমহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় প্রতিদিনই প্রকাশ্যে আসছে নারী নির্যাতন ও পারিবারিক সহিংসতার নানামুখী খবর। ধর্ম-বর্ণ কিংবা শ্রেণী নির্বিশেষে এই ব্যাধি যেন ক্রমেই জেঁকে বসছে সমাজে। সম্প্রতি বিয়ের মাত্র ছয় মাসের মাথায় ভারতের ‘মিস পুণে’ খ্যাত তিশা শর্মার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কিংবা পাঞ্জাবে এক গায়িকাকে অপহরণ ও খুনের ঘটনা পুরো উপমহাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

এদিকে নারীদের ওপর চলমান এসব নির্যাতন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত। সমাজ ও পরিবারের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি এমন বৈরী পরিস্থিতিতে নারীদের সুরক্ষায় একটি জরুরি পরামর্শও দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন: শাকিরার নতুন লুকে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

কঙ্গনা রানাওয়াত বলেন, ‘শিক্ষিত নারীদের অনেকেই হয়তো কোনো চরম বিপর্যয় ঘটার আগে সেই দমবন্ধ করা পরিবেশ থেকে বাঁচতে নিজেদের বাবা-মায়ের কাছে আকুতি জানায়। কিন্তু আমাদের সমাজ তো বিয়ের পর মেয়েদের পরিত্যাগের মানসিকতার জন্যই বেশি পরিচিত।’

“আমি যে পরামর্শ দিচ্ছি, তা কোনো সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড কিংবা ডেটিং অ্যাপ আপনাদের দেবে না। আমার একটাই কথা- নিজেদের পেশা বা ক্যারিয়ারকে জীবনের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।”  কঙ্গনা রানাওয়াত

আরও পড়ুন: ছুটি কক্সবাজারের শুভেচ্ছা দূত হলেন তারকা দম্পতি সেলিম-রোজি

নারীদের উদ্দেশে নিজের স্বভাবসুলভ দৃঢ়তায় তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের জীবনে অন্য কোনো মানুষ গুরুত্বপূর্ণ হতেই পারে, তবে তা যেন কখনোই নিজের ক্যারিয়ারকে ছাপিয়ে না যায়।’

নারীদের বিয়ের আগে পুরোপুরি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের তাগিদ দিয়ে কঙ্গনা বলেন, ‘সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী হওয়ার পরই বিয়ের কথা ভাবুন। মনে রাখবেন, আপনাদের জীবনের হিরো বা রক্ষাকর্তা হিসেবে নিজেদেরই এগিয়ে আসতে হবে। বাইরে থেকে কেউ আপনাদের উদ্ধার করতে আসবে না।’

সবশেষে নারীদের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়ে এই বলিউড কুইন বলেন, ‘নিজে স্বাবলম্বী হওয়াটা আপনার নিজস্ব পরিচয় কিংবা আপনি কাকে বিয়ে করছেন—তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেভাবে বাঁচতে চান, নিজের জন্য ঠিক তেমন জীবনই গড়ে তুলুন। এই ব্যাপারে অন্য কারও কথায় কান দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।’