টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার শেষ ষোলোয় মিসর
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিসর। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। পরের পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা অথবা কেপ ভার্দে।
ম্যাচের ১৩তম মিনিটে করিম হাফেজের ক্রস থেকে দারুণ হেডে গোল করে মিসরকে এগিয়ে দেন ইমাম আশুর। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তার দ্বিতীয় গোল। এই আসরে এখন পর্যন্ত মিসর ছয়টি গোল করেছে, যা ১৯৩৪, ১৯৯০ ও ২০১৮ সালের তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়েও তাদের মোট গোলসংখ্যার চেয়ে বেশি।
আরও পড়ুন: রাফিনিয়ার গোল, বার্সেলোনার টানা দ্বিতীয় জয়
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি ওমর মারমুশ। এরপর ৫৫তম মিনিটে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। আইডেন ও'নিলের ফ্রি-কিক ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠান মোহাম্মদ হানি। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তার দ্বিতীয় আত্মঘাতী গোল। একই সঙ্গে এবারের আসরে আত্মঘাতী গোলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩, যা ২০১৮ বিশ্বকাপের ১২ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।
অতিরিক্ত সময়ের শেষদিকে রামি রাবিয়ার শক্তিশালী হেড দুর্দান্তভাবে রুখে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। ফলে ম্যাচের নিষ্পত্তি গড়ায় টাইব্রেকারে।
আরও পড়ুন: এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে সোসিয়েদাদকে হারাল রিয়াল
টাইব্রেকারে মিসরের হয়ে মাহমুদ সাবের, রামি রাবিয়া, মোহাম্মদ সালাহ ও হোসাম আবদেলমাগুইদ চারজনই সফলভাবে গোল করেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জ্যাকসন আরভিন ও আওয়ার মাবিল গোল করলেও হ্যারি সাউতারের শট বাইরে চলে যায় এবং ১৮ বছর বয়সী লুকাস হ্যারিংটনের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
ঐতিহাসিক জয়ের পর মোহাম্মদ সালাহ বলেন, "এটা ইতিহাস। ম্যাচের আগে ছেলেদের বলেছিলাম, এটাই সবচেয়ে বড় মঞ্চ। চাপ না নিয়ে খেলাটা উপভোগ করো। আমরা ইতিহাস গড়তে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দ।"





