বিভিন্ন থানার ১৫ মামলা ও ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:৪৪ অপরাহ্ন, ১৭ জুন ২০২৫ | আপডেট: ৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকার সাভার পৌরসভা থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও মাদকসহ ১৫ টি মামলা রয়েছে।

সোমবার (১৬ জুন) রাতে সাভার পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের  মজিদপুর এলাকা থেকে র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। 

আরও পড়ুন: নিকলীতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকালে র‍্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএন রায় নিয়তি গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গতকাল রাতে সাভার থানাধীন পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের  মজিদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দুটি মাদক মামলায় মোট ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইন এবং মাদকসহ ১৫ টি মামলার পলাতক আসামি রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নবীগঞ্জে বাড়ির পাশের নদী থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তিনি একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন যাবৎ কক্সবাজার ও টেকনাফসহ সীমান্তবর্তী জেলা হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য ক্রয় করে ঢাকা মহানগরীসহ বিভিন্ন জেলায় এগুলো বিক্রি করতেন তিনি।

র‍্যাব জানায়, গ্রেফতার রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালে জামিনে বের হয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছিল। অন্যদিকে বিচার শেষে আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে পৃথক দুটি মামলায় ৬ বছর করে মোট ১২ বছরের সাজা প্রদান করেন। তবে তিনি পলাতক থাকায় আদালত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি অভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গতকাল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা পূর্ব এবং ভাষানটেক থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইন এবং মাদকসহ ১৫টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।