গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চমক
প্রশাসক হিসেবে শওকত হোসেন সরকার নিয়োগ, মহানগর বিএনপিতে আনন্দ উৎসব
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার। তাঁর এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেতাকর্মীরা ফুল, ব্যানার ও শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে ছুটে যান শওকত হোসেন সরকারের বাসভবনে। দিনভর ফুলেল শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। অনেক নেতাকর্মী এটিকে দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অর্জন হিসেবে দেখছেন।
আরও পড়ুন: আরিফা জেসমিনকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে চায় এলাকাবাসী
নেতাকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে শওকত হোসেন সরকার সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে গাজীপুর মহানগর বিএনপিকে সুসংগঠিত রেখেছেন। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য একজন নেতার হাতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব অর্পণ করায় নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে তারা আশাবাদ প্রকাশ করেন।
গাঁথা মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাবুল সিপাই বলেন, প্রশাসক হিসেবে শওকত হোসেন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে নাগরিক সেবা, পরিচ্ছন্নতা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্বচ্ছ প্রশাসন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা নগর উন্নয়নমূলক কাজগুলোতে গতি আসবে বলে মনে করছেন তিনি।
আরও পড়ুন: উলিপুর উপজেলার পান্ডুল ইউনিয়নে অবৈধভাবে খাস জমি থেকে মাটি উত্তোলন
কোনাবরী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন বলেন, শওকত হোসেন সরকার স্বচ্ছ ও ক্লিন ইমেজের মানুষ। এমন একজন মানুষ মহানগরীর দায়িত্ব নিলে নিঃসন্দেহে গাজীপুর একটি সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ তৈরি করতে পারবেন।
শুভেচ্ছা গ্রহণকালে শওকত হোসেন সরকার নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এই দায়িত্ব গাজীপুরবাসীর প্রতি আমার দায়বদ্ধতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।” তিনি আরও বলেন, “পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হোক আপনার নিজ বাসা থেকে, আমাদের শহর আমরা গর্ব করি, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সকলে মিলে লড়ব। মনে রাখতে হবে সবার আগে বাংলাদেশ—দেশ গঠনে আমাদের সকলের ভূমিকা থাকা উচিত।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নিয়োগ শুধু বিএনপির জন্য নয়, গাজীপুর সিটির প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।





