মেঘনা নদীতে ডাকাত দলের হামলা, গুলিবিদ্ধ জেলের লাশ উদ্ধার
নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ডাকাতের হামলার শিকার হয় বলে জানা যায়।
এসময় ডাকাতদের হাত থেকে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ দেন দুই জেলে। চানু মিয়া নামে এক জেলে সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও তার ভাতিজা হেদায়েতুল্লাহ নিখোঁজ হন।
আরও পড়ুন: রায়পুরে উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নে মেঘনা নদীর তীরবর্তী ফকিরের চর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত হেদায়েতুল্লাহ (২২) উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর গ্রামের আসাদ মিয়ার ছেলে। সে পেশায় একজন জেলে।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা হত্যার প্রধান আসামি আরমান গ্রেপ্তার
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১২টার দিকে চানু মিয়া ও তার ভাতিজা হেদায়েতুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করতে যান। এ সময় একটি স্পিডবোট তাদের নৌকার কাছে এসে থামে। স্পিডবোটে থাকা একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের দিকে এগিয়ে আসে। ডাকাতদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চানু মিয়া ও হেদায়েতুল্লাহ নদীতে ঝাঁপ দেন। চানু মিয়া সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও তার ভাতিজা হেদায়েতুল্লাহ নিখোঁজ হন। এ সময় ডাকাত দল হেদায়েতুল্লাহকে গুলি করে বলে জানা গেছে।
শ্রীনগর ইউপি সদস্য জালাল মিয়া জানান, ঘটনার পর থেকেই এলাকাবাসী ও স্বজনরা নৌকা নিয়ে নদীর বিভিন্ন স্থানে হেদায়েতুল্লাহর খোঁজে তল্লাশি চালায়। শনিবার বিকেলে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত হেদায়েতুল্লাহর শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে।
ডাকাতদের হামলা কি না জানতে চাইলে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, নিহতের চাচা চানু মিয়ার সঙ্গে কথা হয়েছে, তার দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। ঘটনা শুনে আমি ঘটনাস্থলে যাই। নৌপুলিশ ফাঁড়ি মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত ব্যক্তির মাথার ডান পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে সেটা গুলি কি-না বলা যাচ্ছে না। নৌ-পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করে মরদেহ রবিবার সকালে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।





