আজ মাগিদুল ইসলাম মুকুলের অষ্টমতম মৃত্যু বার্ষিকী
২০১৮ ইং সালের ১০ মে সাবেক এমপি ও মন্ত্রী একেএম মাইদুল ইসলাম মুকুল ইন্তেকাল করেন। দিনটি উপলক্ষ্যে মরহুমের পরিবার ও রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছেন।
মরহুম এ কে এম মাইদুল ইসলাম ছিলেন অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার মরহুম আবুল কাসেম সাহেবের সুযোগ্য সন্তান। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে গিয়ে তিনি কারাবরণও করেন। সেই আপসহীন চেতনা তাঁকে পরবর্তী জীবনে একজন জননন্দিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্র ঐক্য পরিষদ, চন্দ্রাবতীর ক্যারিয়ার সেমিনার অনুষ্ঠিত
রাজনীতির মাঠের পাশাপাশি শিল্পখাতেও তাঁর পদচারণা ছিল অত্যন্ত সফল। তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী ‘কাসেম গ্রুপ’-এর কর্ণধার ছিলেন। নিজের Development Architect হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তিনি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।
কুড়িগ্রামের উন্নয়নের এই রূপকার তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোট ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালন করেছেন নৌ-পরিবহন, ভূমি, পাট এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে। প্রতিটি দপ্তরেই তিনি তাঁর সততা ও কর্মনিষ্ঠার ছাপ রেখে গেছেন।
আরও পড়ুন: ফেনীতে আদালতের এজলাসে বিচারকের সামনেই বিষপান নারী বিচারপ্রার্থী
উলিপুর-চিলমারীর মানুষের কাছে তিনি ছিলেন এক নির্ভরতার প্রতীক। ক্ষমতার মোহ নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তাঁর অমায়িক ব্যবহার, মৃদুভাষী স্বভাব এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা তাঁকে পরিণত করেছিল এক সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিতে।
আজকের এই বিশেষ দিনে কুড়িগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ তাঁদের প্রিয় এই নেতাকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর আত্মার শান্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।





