পানবন্দি হাজার হাজার মানুষ
মনপুরায় জোয়ারের পানিতে ভাসছেন আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দরা
ভোলার মনপুরায় অতিজোয়ারে মেঘনার পানি বিপদসীমার ওপর প্রবাহিত হওয়ায় মূলভূখন্ডের বেড়ীর বাহিরের নিম্নাঞ্চল ৫-৬ ফুট জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে।
এদিকে পুরানো বেড়ীর ভাঙ্গা দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বুক পরিমান পানিতে ভাসলো আবাসন প্রকল্পের ষাট কলোনীর বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন: বর্ষায় প্রাণ ফিরে পায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী কায়েতপাড়া নৌকার হাট
শুক্রবার দুপুর ১ টায় জোয়ারে পানিতে ডুবে আবাসন প্রকল্পের ষাট কলোনীর বাসিন্দারা। গত দুইদিন ধরে তারা দিনে-রাতে দুবেলা জোয়ারে পানিতে ডুবে থাকে।
এদিকে শুক্রবার দুপুরে রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট ও তুলাতলী এলকায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বেড়ীবাঁধহীন বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নের বেশিবভাগ এলাকায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের প্যানেল পরিচিতি
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পূর্বপাশে ষাট কলোনীর বাসিন্দারা বুক পরিমান পানিতে ভাসছে। ঘর ছেড়ে বাসিন্দারা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন। আর পরিবারের কর্তারা টিনের চালে আশ্রয় নিয়ে ঘরের মালামাল দেখভাল করছেন। এতে করে দুর্ভোগ পড়েছেন বাসিন্দারা।
এদিকে একই অবস্থা বিরাজমান রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট, তুলাতলী ও বিচ্ছিন্ন চরকতালীর বাসিন্দারা।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি মাসে ১৫ দিনে তারা জোয়ারের পানিতে ভাসে। এতে তাদের দুর্ভোগের শেষ নাই। তার অভিযোগ করেন, পাউবোর নতুন বেড়ীবাঁধের ঠিকাদার পুরানো বেড়ীবাঁধটি কেটে দেওয়ায় এই দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।
এই ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকোশলী মোঃ আসাফউদ্দৌলা জানান, জোয়ারের পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। আবাসন প্রকল্পে ঘরে জোয়ারের পানি যাতে না ডুকে সেই ব্যবস্থা করা হবে।





