জনগণের পুলিশ হতে হবে, ব্যক্তিগত বাহিনী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Sadek Ali
মো. ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী
প্রকাশিত: ১২:৪৪ অপরাহ্ন, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪৬ অপরাহ্ন, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ও ৪৩তম ক্যাডেট এসআই-২০০৬ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাপনী কুচকাওয়াজে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ৮৪ জন ও ৪৩তম ক্যাডেট এসআই-২০০৬ ব্যাচের ১৬২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: নবীনগরে আগুনে পুড়ল বসতঘর, ক্ষতি ৫ লাখ টাকা

২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ০৬ (ছয়) মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে নিজ নিজ ইউনিটে যোগদান করবেন এবং ৪৩তম ক্যাডেট এসআই তাদের ০৬ (ছয়) মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষানবিশ এসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে বিভিন্ন ইউনিটে পদায়িত হবেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি, মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন ও বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করেন। 

আরও পড়ুন: সিরাজদীখানে ৬ বছরের শিশুকে হত্যা, বাবা গুরুতর জখম

ওই সময় মঞ্চে উপস্থিত  ছিলেন মো: আলী হোসেন ফকির, বিপিএম, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব বাংলাদেশ পুলিশ এবং মোঃ মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি, প্রিন্সিপাল (অ্যাডিশনাল আইজিপি), বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, সারদা, রাজশাহী উপস্থিত ছিলেন।

 এএসপি প্রবেশনার মোঃ মাহবুব হোসেন প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীরা হলেন শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট মোঃ ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, সাইফুল ইসলাম, মোঃ আসাদুজ্জামান এবং ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ বোরহানুল ইসলাম, ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর দেওয়ান গোলাম রসুল এবং ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ কামাল গনি।

বর্ণাঢ্য এ প্যারেড অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পদবীর সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দসহ আরো অনেক স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসাবে তার বক্তব্যে বলেন, নবনিযুক্ত শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ও সাব-ইন্সপেক্টরদের জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও কর্তব্যপরায়ণতার সাথে কাজ করার নির্দেশ দেন।

তিনি সেবাপ্রত্যাশী সকল শ্রেণী পেশার অসহায় মানুষের সেবা দানে আন্তরিকতা, সকল প্রকার ভয়-ভীতি, পক্ষপাতিত্বকে উপেক্ষা করে জনমানুষকে আইনি সেবা ও সুরক্ষা দেওয়াসহ সর্বোপরি, মানুষের পাশে থেকে, মানুষকে সেবা দিয়ে, জনগণের আস্থা অর্জন করে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে মানুষের জন্য কাজ করেই মানুষের হৃদয় জয় করবেন এ আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি তার বক্তব্য সমাপ্ত করেন।  

পরিশেষে মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সার্বিক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্রিন্সিপাল, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।