বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৯০ সদস্যের শান্তিরক্ষা কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপিত
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৯০ সদস্যের একটি নতুন কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান
উক্ত ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসি। তিনি মিশনে অংশগ্রহণকারী শান্তিরক্ষীদের উদ্দেশ্যে শৃঙ্খলা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: পবিত্র আশুরা ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার
তিনি আরও বলেন, "আপনাদের পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা যেন বাংলাদেশের মর্যাদা বিশ্বমঞ্চে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।" এসময় তিনি জাতিসংঘ ও WHO কর্তৃক নির্ধারিত সকল স্বাস্থ্যবিধি ও মেডিকেল প্রোটোকল যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন। ব্রিফিং শেষে এক বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মিশনের সফলতা কামনা করা হয়।
আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (রবিবার) ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স-এর একটি জাতিসংঘ ভাড়াকৃত ফ্লাইটে নতুন কন্টিনজেন্টটি কঙ্গোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে। এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে রয়েছেন এয়ার কমডোর মোঃ এনামুল করিম, জিইউপি, এনডিসি, এডব্লিউসি, পিএসসি।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান, ওএসপি, বিএসপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি এবং বিমান বাহিনীর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এই ইউনিট কঙ্গোতে চলমান সংঘাত নিরসনে অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জাতিসংঘ মিশনে তাদের পেশাদারিত্ব, মানবিকতা এবং দক্ষতার জন্য কঙ্গোর সরকার ও জনগণের আস্থা অর্জন করেছে।





