সন্ত্রাসী পেট কাটা শামীম ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারে ৭ দিনের আল্টিমেটাম মাতুয়াইলবাসীর

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:১৫ অপরাহ্ন, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৮:৪৮ অপরাহ্ন, ২৯ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত ‘পেট কাটা শামীম’ ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় সন্ত্রাসী শামীম ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারে ৭ দিনের আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়েছেন এলাকাবাসী।

গতকাল বুধবার রায়েরবাগ মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির আহ্বায়ক জামসেদুল আলম শ্যামল, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল আহমেদ খান ও এহতেশাম নকীব, ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন খান ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম মুন্সী, বিএনপি নেতা নুর হোসেন জনী এবং ছুরিকাঘাতে আহত কালামের স্ত্রী শামসুন নাহারসহ ওয়ার্ড ও ইউনিট বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা আবুল বাশার হত্যা মামলার আসামি লেদু হাসান গ্রেপ্তার, বিরুদ্ধে ৩৬ মামলা

মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা অভিযোগ করেন, ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা শামসুদ্দিনের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্তরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। তাদের দাবি, গুরুতর আহত শামসুদ্দিন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভকারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মিছিল করেন। এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির নেতারা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

আরও পড়ুন: টিসিবির লাইনে দেয়াল ধসে দুই জন নিহত

যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির আহ্বায়ক জামসেদুল আলম শ্যামল বলেন, প্রশাসন যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনকে সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।

মানববন্ধনের একপর্যায়ে আহত বিএনপি নেতা শামসুদ্দিনের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কর্মসূচি চলাকালে উত্তেজিত কয়েকজন বিক্ষোভকারী মাতুয়াইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থাকা ‘শামীমবাগ আবাসিক এলাকা’ নামফলক খুলে ফেলেন। এ সময় তারা সন্ত্রাসের সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা নাম জড়িত থাকলে তার নামে কোনো স্থাপনা বা সাইনবোর্ড থাকা উচিত নয় বলে স্লোগান দেন।

প্রসঙ্গত, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুদ্দিন খান ওরফে কালামকে ছুরিকাঘাত করেন সন্ত্রাসী রাকিব হোসেন ও তার সহযোগীরা। পরে কালামকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর রক্তাক্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আসামি রাকিব কিছুদিন আগে জামিনে কারামুক্ত হন। তার বিরুদ্ধে অন্তত চারটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।