মঙ্গলবার থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, এবার সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী

Sanchoy Biswas
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:২০ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৭:২০ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত
  • মন্ত্রণালয় থেকে পরীক্ষা কেন্দ্র মনিটরিং করা হবে
  • এসএসসি পরীক্ষার্থীদের যেসব নির্দেশনা মানতে হবে
  • পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার পরিচালনায় বাধা নেই
  • দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পরীক্ষার্থীরা

২১ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা। এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। রুটিন অনুযায়ী, প্রথম দিনে বাংলা বিষয়ের মাধ্যমে শুরু হবে এ পরীক্ষা। আজকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। ১৮ জুনের মধ্যে যাবতীয় আনুষঙ্গিক কাগজপত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের কারণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা। তবে পরীক্ষা সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার বলয় গড়ে তুলেছে ডিএমপি। গত শনিবার এক বিশেষ নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণের নির্ধারিত সময় আগের মতোই বহাল থাকবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে এভিয়েশন পেশার ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউএপি ও এভিয়ানোমিক্সের যৌথ সেমিনার

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষ্যে ১৪টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনাগুলো হলো—

১. পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই নিজ আসনে বসতে হবে।

আরও পড়ুন: ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানার ইন্তেকাল, উপাচার্যের শোক

২. প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

৩. প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নিকট থেকে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে সংগ্রহ করবে।

৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলোর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।

৬. পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর (ওএমআর) ফরমে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি প্রদান করা যাবে না।

৯. পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান দায়ী থাকবেন।

১০. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।

১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবে না।

১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে।

১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

১৪. পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

এদিকে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা উপলক্ষে গতকাল সোমবার দুপুরে সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব তথ্য জানান। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সংখ্যা প্রায় সমান। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডের অধীনে, যার সংখ্যা তিন লাখ ৬৬ হাজার ৬৫০ জন। এছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০৯ জন, কুমিল্লায় এক লাখ ৪৬ হাজার ৮১৭ জন, যশোরে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন, চট্টগ্রামে এক লাখ ৩০ হাজার ৬৬৮ জন, বরিশালে ৮১ হাজার ৮৩১ জন, সিলেটে ৮৯ হাজার ৪২১ জন, দিনাজপুরে এক লাখ ৮১ হাজার ৮৫৪ জন এবং ময়মনসিংহে এক লাখ ৮ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র সাত লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন এবং ছাত্রী ছয় লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিন লাখ চার হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে এক লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন ছাত্রী এবং এক লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন ছাত্র। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে, যার মধ্যে ছাত্র এক লাখ এক হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।

২০২৬ সালের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সারাদেশে মোট তিন হাজার ৮৮৫টি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নেবে। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্র ঢাকা বোর্ডে ৫১০টি এবং সবচেয়ে কম কেন্দ্র ময়মনসিংহে ১৮৮টি। অন্যদিকে, মাদ্রাসা বোর্ডের আওতায় ৭৪২টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ৬৫৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা সিসিটিভি ক্যামেরার আইডি নিয়েছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরীক্ষা কেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) ‘পরীক্ষা’ প্রশ্নফাঁস রোধে পরীক্ষা চলাকালে প্রতি বছর দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হতো। তবে চলতি বছর পরীক্ষা চলাকালে কোচিং সেন্টার বন্ধের কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, কোচিং সেন্টারগুলো বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়, সরকারের নিবন্ধিত নয়। এগুলো আমরা রিকগনাইজ করি না। আর কোচিং সেন্টারের তালিকা আমার কাছে নেই। কোথায় কোচিং হচ্ছে, আমি জানি না। সব কোচিং সেন্টার বাণিজ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে, সরকারকে কোটি কোটি টাকা ট্যাক্স দিচ্ছে, তাহলে এসব প্রতিষ্ঠান বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়—কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে এহছানুল হক মিলন বলেন, ট্রেড লাইসেন্স সিটি করপোরেশন দেয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, এজন্য যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষাকালীন যেন বিদ্যুতের সরবরাহ ঠিক থাকে, এজন্য সারাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্তদের চিঠি দিয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। পরীক্ষার হল যেন পরীক্ষাবান্ধব থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করতে চাই। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করা যায় কি না, সেই পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় সাশ্রয় করতে এই দুই পাবলিক পরীক্ষা প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার সম্ভাব্যতা যাচাইসহ একগুচ্ছ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়ে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে শুরু হওয়া মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার মধ্যে দেশজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের কারণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা। তবে ঢাকার বাইরে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেশি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই এখন লোডশেডিং নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। অনেক এলাকায় দিনে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় অনলাইন ক্লাস ও নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী নাছরিন আক্তার জানায়, রাতে পড়তে বসলেই হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। গরমে ঠিকমতো পড়াশোনায় মন দেওয়া যায় না। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চার্জার ফ্যানও অকেজো হয়ে পড়ে। একই কথা জানিয়েছেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার হাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী আশিকুজ্জামান টুলু। ভোগান্তির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, রাতে বিদ্যুতের দেখা মেলা ভার। দুই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ এলেও তা ১০ মিনিটের বেশি থাকে না। দিনরাত একই অবস্থা চলছে। তবে পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও এ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে বিদ্যুতের এমন সংকট শিক্ষার্থীদের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আসন্ন এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এক গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানিয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের আশপাশে যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে নতুন নির্দেশনাও দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে শুধু পরীক্ষার্থীদের সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তবে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশের আগের নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।