ফল ঘোষণায় দেরি নয়, ভোটের পরদিনই চূড়ান্ত ফল: ইসি
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। একই দিনে দুই ধরনের ভোট হওয়ায় ফলাফল ঘোষণায় বিলম্বের আশঙ্কা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে আলোচনা চললেও, সে শঙ্কা নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সর্বোচ্চ পরদিন শুক্রবারের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। তিন দিন লাগার গুঞ্জন থাকলেও বাস্তবে তা হবে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে বর্তমান নির্বাচনী পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন ঘিরে যে শঙ্কাগুলো ছিল, সেগুলো ধাপে ধাপে কাটিয়ে ওঠা গেছে। সবার সহযোগিতায় ইনশাআল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা
একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হওয়ায় ফল প্রকাশে দেরি হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনোভাবেই তিন দিন লাগবে না। আধুনিক অটোমেশন ব্যবস্থা ও একাধিক ডিভাইস ব্যবহারের ফলে ফলাফল দ্রুত সংগ্রহ করা যাবে। তবে দুর্গম কিছু এলাকার কারণে অল্প কয়েকটি কেন্দ্রে সামান্য দেরি হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচনের দিন সব বাহিনী মিলিয়ে ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে। আগের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এবং কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সমন্বিতভাবে নির্বাচন পরিচালিত হবে।
আরও পড়ুন: প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্র গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় থাকবে: প্রেস সচিব
নির্বাচনের দিন মনিটরিং ব্যবস্থার বিষয়েও বিস্তারিত জানান তিনি। প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম কাজ করবে এবং প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে তথ্য পাঠানো হবে। যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। পাশাপাশি দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যদের জন্য বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তি ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ কাজ করবে বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।





