থাইল্যান্ডে নির্বাচনে ভূমজাইথাইয়ের নিরঙ্কুশ জয়

Sanchoy Biswas
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৪০ অপরাহ্ন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়েও বড় জয় পেয়েছে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চানভিরাকুলের দল ভুমজাইথাই। ফল ঘোষণার পর দেশটির রাজনীতিতে রক্ষণশীল শক্তির পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত মিলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই জোট সরকার গঠনের আলোচনা শুরু হতে পারে। খবর রয়টার্স।

দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্যের ভিত্তিতে রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, ভোট গণনার ৯৪ শতাংশ শেষে ভুমজাইথাই ৫০০ আসনের সংসদে ১৯৩টি আসন নিশ্চিত করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর তুলনায় দলটি অনেক এগিয়ে রয়েছে। নির্বাচনে জনমত জরিপে এগিয়ে থাকা পিপলস পার্টি ১১৮টি আসনে দ্বিতীয় আর পেউ থাই পার্টি ৭৪টি আসনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাকি দলগুলো মিলিয়ে ১১৫টি আসন পেয়েছে। তবে অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থার কারণে দলীয় তালিকা থেকে আসন বণ্টনে চূড়ান্ত সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।

আরও পড়ুন: ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, শিশুসহ মৃত ৫৩

থাইল্যান্ডের সংবিধান অনুযায়ী, সরকার গঠন করতে কোনো দল কিংবা জোটকে কমপক্ষে ২৪৬টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে হবে। কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকারের পথে এগিয়ে আছে আনুতিনের ভুমজাইথাই।

জোট গঠনের বিষয়ে আনুতিন বলেছেন, শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চান তিনি। তবে চূড়ান্ত ফল না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। এক সংবাদ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমাদের একটি শক্ত সরকার প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আজ

নির্বাচনে জাতীয়তাবাদের প্রভাব স্পষ্ট উল্লেখ করে আনুতিন কম্বোডিয়া সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ ও সামরিক সক্ষমতা আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পুনর্নির্বাচিত হলে অর্থ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রীরা নতুন মন্ত্রিসভায় দায়িত্বে থাকবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

তবে দেশটির বামপন্থী পিপলস পার্টি আনুতিনের নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছে। দলের নেতা নাথাফং রুয়াংপানিয়াওয়ুত জানিয়েছেন, তারা বিকল্প জোট গঠনেরও উদ্যোগ নেবে না।

এদিকে ভোটাররা সংবিধান পরিবর্তনের প্রস্তাবেও সমর্থন দিয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার ২০১৪ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সংবিধান প্রতিস্থাপনের পক্ষে মত দিয়েছেন। নতুন সংবিধান বাস্তবায়নে অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে। আর খসড়া ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আরো দুটি গণভোট প্রয়োজন হবে।