আশুলিয়া হত্যাকাণ্ড: ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে ৮ আসামিকে

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১:০৯ অপরাহ্ন, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জুলাই–আগস্ট আন্দোলনকালে আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ রায় ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রিজনভ্যানে করে কারাগার থেকে আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। মামলার রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলার রায় আজ

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন:

* ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী

আরও পড়ুন: নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই

* সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম

* ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন

* এসআই মালেক

* এসআই আরাফাত উদ্দিন

* এএসআই কামরুল হাসান

* এসআই শেখ আবজালুল হক

* কনস্টেবল মুকুল

পলাতক আট আসামি হলেন:

* ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

* ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম

* সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন

* আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি

* সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান

* সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস

* সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা

* স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া

মামলায় মোট ৫৩ জন সাক্ষী দিয়েছে প্রসিকিউশন। গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রথম সাক্ষী ছিলেন শহীদ আস সাবুরের ভাই রেজওয়ানুল ইসলাম ও শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের বাবা মো. খলিলুর রহমান। ২২ কার্যদিবসে ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

আসামি আরাফাত হোসেনসহ অন্যরা সাফাই সাক্ষ্য দেন। ১৪ জানুয়ারি প্রসিকিউশন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে, এরপর ২০ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

মামলার রায় ঘোষণার দিন ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।

উল্লেখ্য, এই ঘটনায় শহীদ হয়েছেন সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়োজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক এবং মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ২০২৪ সালের ২ জুলাই দায়ের করা হয়। অভিযোগের সঙ্গে ৩১৩ পৃষ্ঠার তথ্য, ১৬৮ পৃষ্ঠার দালিলিক প্রমাণাদি ও দুটি পেনড্রাইভ সংযুক্ত করা হয়েছিল।