তনু হত্যার দশ বছর পর তিন সেনা সদস্যের ডিএনএ পরীক্ষার নিদের্শ আদালতের
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যার ১০ বছর পর সন্দেহভাজন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত তিনজন সদস্যের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এ আদেশ দেন বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই এর তদন্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
তনু হত্যার মামলার তদন্ত অগ্রগতি জানাতে সোমবার সকালে আদালতে হাজির হতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলে মামলার অগ্রগতির বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেন পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মি. ইসলাম।
তবে, সেনাবাহিনীর যে কর্মকর্তাদের সাথে ডিএনএ মেলানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের সবাই অবসরে রয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের পরিচয়ও জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ
আদালত সূত্রে জানায়, তনু হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে সম্প্রতি কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে পিবিআইকে চিঠি দেওয়ার পরই সোমবার ওই তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে মামলার তদন্তের বিষয়ে আদালতে লিখিত প্রতিবেদন দেন। এতে বিচারক সন্দেহভাজন ৩ জনের ডিএনএ করার নির্দেশ দেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই-ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম জানান, আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে ৩ জন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলো পরে আর ম্যাচিং করা হয়নি। তাই আজ আদালত বলেছে, সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করতে।
২০১৬ সালের মার্চ মাসে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে থেকে তনুর মৃত্যুদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ধরেও প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছিল। সূত্র: বিবিসি বাংলা





