পবিত্র কাবা নিমার্ণের পর ইবরাহিম (আ.) দোয়া
মক্কা মুকাররমায় অবস্থিত পবিত্র কাবা শরিফ নির্মাণ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, নিঃসন্দেহে সর্বপ্রথম মানুষের জন্য নির্ধারিত ঘর সেটাই, যা মক্কায় অবস্থিত এবং সারা বিশ্বের মানুষের জন্য হিদায়াত ও বরকতপূর্ণ (সুরা আল ইমরান, আয়াত: ৯৬)।
ইসলাম আগমনের আগে ৪ বার ও পরে ৩ বার অর্থাৎ সর্বমোট ৭ বার কাবাঘরের পুনঃনির্মাণ হয়। ইসলাম যুগের পূর্বে সবার আগে কাবা নির্মাণ করেন হজরত ইবরাহিম খলিলুল্লাহ। এ কাজে তাঁকে পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.) সহায়তা করেন। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবনের অমর কীর্তি ও অন্যতম অবদান হল পবিত্র কাবা শরিফ নির্মাণ।
আরও পড়ুন: দেশ গঠনের প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি পবিত্র কাবাঘর পুনঃনির্মাণ করেছেন। তবে একমাত্র হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর নির্মাণের কথা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করেছেন।
কোরআনে ঘটনাটি খুবই চিত্তাকর্ষক ভঙ্গিতে উপস্থাপিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম ও ইসমাঈল কাবাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। তারা দোয়া করেছিলেন-
আরও পড়ুন: সবাই দায়িত্বশীল হলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
রব্বানা , তাকাব্বাল মিন্না, ইন্নাকা আনতাস সামিউল আলিম, রব্বানা ওয়াজআলনা মুসলিমাইনি লাকা ওয়া মিন জুররিয়্যাতিনা উম্মাতাম মুসলিমাতান লাক, ওয়ারিনা মানাসিকানা ওয়াতুব আলাইনা, ইন্নাকা আনতাত্তাওয়াবুর রাহিম। ওয়াবআস ফিহিম রাসুলামমিনহুম ইয়াতলু আলাইহিম আ-য়াতিকা, ওয়াউ-আল্লিমুহুমুল কিতাবা ওয়াল হিকমাহ ওয়াউঝাক্কিহিম, ইন্নাকা আনতাল আঝিঝুল হাকিম।
হে পরওয়ারদিগার! আমাদের এ আমলটুকু কবুল করো। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। ওহে পরওয়ারদিগার! আমাদের উভয়কে তোমার আজ্ঞাবহ করো এবং আমাদের বংশধর থেকে একটি অনুগত জাতি সৃষ্টি কর। আমাদের হজের রীতিনীতি বলে দাও এবং আমাদের ক্ষমা করো। নিশ্চয়ই তুমি তওবা কবুলকারী, দয়ালু। হে আমাদের প্রভু! এ ঘরের পড়শিদের মধ্য থেকে একজন রাসূল পাঠাও, যিনি তাদের কাছে তোমার আয়াতগুলো পাঠ করবেন। তাদের কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দেবেন এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই তুমি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। ’ -সূরা বাকারা : ১২৭-১২৯।





