বাংলাদেশ পর্যটনের অনন্য ডেস্টিনেশন : স্পিকার
আমাদের দেশে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য অন্য দেশের বৈচিত্র্য থেকে অনন্য। আমাদের দেশে যে ছয় ঋতুর বিবর্তন ঘটে, সেটিও অন্য দেশের তুলনায় আকর্ষণীয়। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ পর্যটনের অনন্য ডেস্টিনেশন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
বুধবার সকালে রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরেরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মুজিবস বাংলাদেশ প্রচারণার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে চারদিনব্যাপী এই মেলা এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘পর্যটনে পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ’। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এই মেলা চলবে।
আরও পড়ুন: ঢাবিতে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
স্পিকার বলেন, পর্যটনকেন্দ্রের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। আমরা এরইমধ্যে সেন্টমার্টিনকে প্লাস্টিক মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি, সামনে কক্সবাজারেও এই উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে যথাযথ ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের পর্যটনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশের সৌন্দর্য তুলে ধরে দেশে-বিদেশে পর্যটকদের আকর্ষিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: ঢাবিতে জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে পর্যটনের একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। অবকাঠামোসহ প্রয়োজনীয় উন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশি পর্যটকদের আনতে হবে। আমাদের ট্যুরিজমের সব ঐতিহ্য রয়েছে। এটাকে আমাদের অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি টুরিস্টরা আমাদের দেশে এসে যে অর্থ ব্যয় করবে, সেটি জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত হবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বিভিন্ন কার্যক্রম করা যায় তবে বিদেশ পর্যটকরা আরও বেশি পরিমাণে আগ্রহী হবে। ঢাকা সিটিতে পর্যটকদের জন্য বাস ট্যুরের আয়োজন করা যেতে পারে। নদী পথেও একটি ট্যুরের আয়োজন করা যেতে পারে। আমি মনে করি এটি আমাদের জন্য অনেক কার্যকর হবে।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি। আমাদের দেশে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য অন্য দেশের বৈচিত্র্য থেকে অনন্য। আমাদের দেশে যে ছয় ঋতুর বিবর্তন ঘটে, সেটিও অন্য দেশের তুলনায় আকর্ষণীয়। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ পর্যটনের অনন্য ডেস্টিনেশন।





