উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক

বিচার বিভাগ সংস্কার প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৩৬ অপরাহ্ন, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১১:১৫ অপরাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন অচিরেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আজ বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ সভা হয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম বাংলাদেশের

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন দেওয়ানি কার্যবিধি বা সিভিল প্রসিডিউর কোডে (সিপিসি) কিছু কিছু পরিবর্তন আনার সুপারিশ করেছিল। তারই আলোকে ব্রিটিশ সরকারের সময়ে প্রণীত সিপিসিতে কিছু পরিবর্তন আনার জন্য নীতিগত অনুমোদন হয়েছে।

তিনি বলেন, সিপিসির কিছু কিছু পরিবর্তন আনার জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। ব্রিটিশ সরকারের সময়ে প্রণীত সিপিসির কিছু কিছু সংশোধন নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্যাম্পের সব সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার: আইএসপিআর

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে একটা কথা আছে, কারও সঙ্গে শত্রুতা করতে গেলে একটা ল্যান্ড মামলা জুড়ে দাও। ফলে তিন জেনারেশনে (প্রজন্মে) সে মামলা শেষ হবে না। তিন জেনারেশন যেন না লাগে, এক জেনারেশনেই যেন মামলা শেষ হয়- সেজন্য সিপিসির কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে। যাতে করে যারা বিচারপ্রার্থী তাদের সময় কম লাগে, তাদের টাকা কম লাগে।

সিপিসির কিছু সংশোধনীর কথা উল্লেখ করে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আগে একটি মামলার রায় হওয়ার পরেও জারি-মোকদ্দমা করতে হতো সেই মামলার রায় বাস্তবায়নের জন্য। এখন বলা হচ্ছে, যখন রায় হবে, তখনই এই পিটিশনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া আগে বারবার সময় নেওয়া হতো। এখন বলে দেওয়া হবে সর্বোচ্চ কয়বার সময় নেওয়া যাবে। বিচার কাজও আধুনিকায়ন করতে বলা হয়েছে। এখন থেকে সমন জারি টেলিফোনের মাধ্যমে, এসএমএসের মাধ্যমে বা অন্য আধুনিক পদ্ধতিতে করা যাবে। আগে ভুয়া মামলার জন্য শাস্তি ছিল ২০ হাজার টাকা জরিমানা। এখন সেটি বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।