নববর্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণী: পহেলা বৈশাখ আত্মপরিচয়ের প্রতীক

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:৫১ অপরাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৭ অপরাহ্ন, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ সালকে স্বাগত জানান।

আরও পড়ুন: দায়িত্বে অবহেলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা সিটির দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জীবনে প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে। এটি পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। তিনি উল্লেখ করেন, এই উৎসবের সঙ্গে কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির এই যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই উৎপাদন পরিকল্পনা করে থাকেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধ পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুনভাবে উদ্ভাসিত হয়।

আরও পড়ুন: নিজেই ড্রাইভ করে ঢাকার বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

বৈশাখি মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং সমাজে ঐক্য ও সম্প্রীতি জাগ্রত করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক নানা সংকট ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ চর্চা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই সময় সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবকল্যাণে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি এবং কৃষক কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ দেশের কৃষি অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেষে তিনি নববর্ষে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আবারও শুভেচ্ছা জানান।