ফরেনসিক রিপোর্টে রামিসাকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, ২৪ মে ২০২৬ | আপডেট: ১২:০২ অপরাহ্ন, ২৪ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে তাকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা যায়।

আরও পড়ুন: রামিসা হত্যা মামলা: আসামিপক্ষে না দাঁড়ানোর ঘোষণা ঢাকার আইনজীবীদের

রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় তাকে। হত্যার পর মরদেহ বিকৃত করারও প্রমাণ মিলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড তদন্তে করা রিট খারিজ

এদিকে শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই দিনে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটি বাসা থেকে বের হওয়ার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা তাকে জোর করে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় শিশুটির পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে পরিস্থিতি গোপন করতে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। পরে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।