রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি কবির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কণ্ঠস্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতা, শান্তি, প্রেম ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন তার সৃষ্টির প্রতিটি স্তরে।
কাব্য, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক ও চিত্রকলায় তার অবদান বাংলা সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: ২৩ দিন পর আবার সচল ইস্টার্ন রিফাইনারি, শুরু জ্বালানি উৎপাদন
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রবীন্দ্রসংগীত ছিল প্রেরণার বড় উৎস।
তিনি উল্লেখ করেন, কবির অমর সৃষ্টি আমার সোনার বাংলা আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বজুড়ে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন।
তিনি ছিলেন সাহিত্যে নোবেলজয়ী প্রথম এশীয়।
বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত, উগ্রবাদ ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের চিন্তা ও দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণ, শিক্ষার প্রসার এবং বিশ্বমানবতার যে বার্তা রবীন্দ্রনাথ দিয়ে গেছেন, তা আজও সমানভাবে অনুপ্রেরণাদায়ক।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠার বিষয়ও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে রবীন্দ্রনাথ শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, ব্যবহারিক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন।





