সেনাবাহিনীর ভূমিকা এখন পর্যন্ত প্রশংসনীয়: জামায়াত আমির

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৪৫ অপরাহ্ন, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৫:১৪ অপরাহ্ন, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনী পরিবেশে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী পেশাদার ও দায়িত্বশীল আচরণ করছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে আয়োজিত এক জরুরি ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী যদি ভোটগ্রহণের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একইভাবে দৃঢ় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে, তবে দেশ একটি সুষ্ঠু নির্বাচন পাবে।

আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেবে বিএনপি

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে জনগণ তাদের ভোটাধিকার ও অন্যান্য মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের অধিকার পুনরুদ্ধার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নির্বাচনী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঢাকা-১৫ আসনে সামগ্রিকভাবে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক থাকলেও মিরপুর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় বালিকা শাখা কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের লোকজন ভোটারদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করেছে এবং কয়েকজনকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আরও পড়ুন: গুম দিবসে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ তোলেন জামায়াত আমির। তিনি দাবি করেন, কয়েকটি এলাকায় প্রার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনাও ঘটেছে। তবে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

লাকসাম ও ভোলার লালমোহন এলাকার উদাহরণ দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা জালিয়াতির মাধ্যমে সরকার গঠিত হলে তা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

ডা. শফিকুর রহমান প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং যেখানে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি জামায়াতের নেতাকর্মীদের শান্ত ও ধৈর্যশীল থাকার আহ্বান জানান এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোটদানের পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলেন।

সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দিন শেষে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ফলাফলের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে।