সিলেটে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ
ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ যে দাপট দেখিয়েছে, সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেটা অনেকটাই ম্রিয়মাণ। স্কোরবোর্ড দেড়শ ছোঁয়ার আগেই ৬ ব্যাটার প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন। বল হাতে আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন পাকিস্তানের দুই পেসার মোহাম্মদ আব্বাস আর খুররম শেহজাদ। বাংলাদেশ ১১৬ রানে হারিয়েছে ৬ উইকেট।
এর আগে শনিবার (১৬ মে) সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। খুররম শেহজাদ ও পাকিস্তানি পেসারদের তোপের মুখে পড়ে মধ্যাহ্নভোজের আগেই সাজঘরে ফিরে গেছেন দুই ওপেনারসহ নির্ভরযোগ্য ব্যাটার মুমিনুল হক।
আরও পড়ুন: শিক্ষা ও খেলাধুলায় শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়াতে মেটলাইফ ও গ্লোবাল সিটিজেনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ
মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হওয়া ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় সিলেটেও নিজের ভাগ্য বদলাতে পারেননি। ম্যাচের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই খুররম শেহজাদের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে (ডাক) সাজঘরে ফেরেন তিনি।
জয়ের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম। টেস্ট ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের যে নতুন পরিকল্পনার কথা প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছিলেন, তারই প্রতিফলন দেখা যায় তামিমের ব্যাটে। তিনি উইকেটে এসে নিজের স্বভাবজাত ঢঙে দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন। তবে ইনিংসটি বড় করতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার। টাইমিংয়ের গড়বড়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ২৬ রান করেই আত্মাহুতি দেন তিনি।
আরও পড়ুন: বিসিবি নির্বাচন ২০২৬: গঠন হলো নির্বাচন কমিশন
দুই ওপেনারকে হারানোর পর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করা অভিজ্ঞ মুমিনুল হক। উইকেটে বেশ সাবলীল দেখাচ্ছিল তাঁকে। কিন্তু ব্যক্তিগত ২২ রানের মাথায় খুররম শেহজাদের একটি হালকা ভেতরে ঢোকা বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে যান তিনি।
মধ্যাহ্নবিরতির পরও বাংলাদেশের বিপদের শেষ হয়নি। আব্বাসের বলে রিজওয়ানের গ্লাভসে ধরা পড়েন অধিনায়ক শান্ত (২৯)। টিকতে পারেননি মুশফিকুর রহিমও। খুররমের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান ২৩ রানে। লোয়ার মিডল অর্ডারে মেহেদী হাসান মিরাজও (৪) ভরসা দিতে পারেননি। খুররমের বলে ধরা পড়েন হাসান আলির হাতে। ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। উইকেটে লিটন দাসের সঙ্গে লড়ছেন তাইজুল ইসলাম।





