চা বাগানে ছিল ১৫ ফুট লম্বা অজগর, লাউয়াছড়া উদ্যানে অবমুক্ত

Sanchoy Biswas
সালাহউদ্দিন শুভ, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)
প্রকাশিত: ৯:১৯ অপরাহ্ন, ১০ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১০:০১ পূর্বাহ্ন, ২৬ মার্চ ২০২৬
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয় অজগর। ছবিঃ সংগৃহীত
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয় অজগর। ছবিঃ সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার জাগছড়া চা বাগান থেকে সাড়ে ১৫ ফুট লম্বা ও ২০ কেজি ওজনের একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। রেসকিউ সেন্টারে ১১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর শেষে বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে উদ্ধারকৃত অজগরটিকে বনে অবমুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কাজী নাজমুল হক।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার জাগছড়া চা বাগানের একটি সেকশনের পাশে সাড়ে ১৫ ফুট লম্বা অজগর সাপটি হঠাৎ দেখা যায়। পরে লাউয়াছড়া বন্যপ্রাণী বিভাগকে খবর দিলে অজগরটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়। ১১দিন সাপটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে সুস্থ করে তুলে বৃহস্পতিবার দুপুরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০মার্চ শ্রীমঙ্গল উপজেলার জাগছড়া চা বাগানের সেকশনের পাশে একটি অজগর সাপ থাকার কথা জানান স্থানীয়রা। পরে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের টিম ও ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্স ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট চঞ্চল গোয়ালা গিয়ে সেখান থেকে সাপটি লাউয়াছড়া রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে আসেন। মানুষ দেখে সাপ ভয় পেয়ে ছিল এবং তার শরীরের কিছু আঘাত ছিল। ১১ দিন লেগেছে সাপটিকে সুস্থ করতে। পরে বৃহস্পতিবার সাপটি সুস্থ থাকায় লাউয়াছড়া বনেই অবমুক্ত করা হয়েছে। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গলস্থ বন্য প্রাণী প্রকৃতি ও সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কাজী নাজমুল হক, জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট তাজুল ইসলাম, শুব্রত সরকার, ইকো গাইড অজানা আহমদ কামরানসহ বন বিভাগের লোকজন।

আরও পড়ুন: বগুড়ায় উপ-নির্বাচনে ধানের শীষের প্রচারণায় জিয়া পরিষদ

লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কাজী নাজমুল হক জানান, সাপটা সাড়ে ১৫ ফুটের মতো লম্বা ও ২০ কেজি ওজনের মতো ছিল। দীর্ঘ ১১দিন সাপটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে সুস্থ করে তুলে বৃহস্পতিবার দুপুরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়। 

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত গরমের কারণে লাউয়াছড়া বন থেকে অজগর সাপটি চা বাগান এলাকায় চলে যায়।