তাড়াশে বিনা চাষে ভুট্টার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিনা চাষে ভুট্টার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। প্রতি বিঘায় ফলন হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ মন। কৃষক জমি থেকে ভূট্টার শীষ তুলে বাড়ির আঙ্গীনায় এনে মাড়াই যন্ত্রের সাহায্যে ভুট্টার দানা সংগ্রহে ব্যাস্ত সময় পার করছেন। চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলার নিম্নাঞ্চলে জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে জমি চাষ না দিয়ে জমির কাদার উপর কৃষক ভুট্টার বীজ বপন করেন। এ পদ্ধতিতে কৃষকের চাষ খরচ কম হয়েছে এবং ফলনও হয়েছে বাম্পার এমনটি জানিয়েছেন একাধিক ভূট্টা চাষি।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর তাড়াশ উপজেলায় বিনা চাষে ভুট্টার আবাদ হয়েছে ১ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে। এ অঞ্চলে বিনা চাষে সাধারণত হাইব্রিড জাতের বারি ৫, বারি-৬, বারি-৭, বানি মিষ্টি ভুট্টা-১, বারি বেবি কর্ণ-১ জাতের ভুট্টা বেশি চাষ হয়েছে।
আরও পড়ুন: কাশিয়ানীতে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার বারুহাস, মাওড়াবিনোদ ও নওগাঁ ইউনিয়নে বিনা চাষে ভূট্রা আবাদ হয়েছে। মাওড়া ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রামের কৃষক আছের আলী জানান, এ বছর আমি ১০ বিঘা জমিতে বিনা চাষে ভুটা বুনেছি। এ পদ্ধতিতে খরচ কম। আবার ফলনও হচ্ছে প্রতি বিঘা ৫০ থেকে ৬০ মন। প্রতি মন ভুট্টা বিক্রি করছি ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকায় বাম্পার ফলন এবং ভাল দামে আমরা লাভের মুখ দেখছি। উপজেলার নাদোসৈয়দপুর গ্রামের কৃষক আফাল মিয়া জানান, সকল খরচ বাদে প্রতি বিঘা জমির ভুট্টায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান এই পদ্ধতিতে খরচ কম ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিনা চাষে ভুট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। আবার ভাল দাম পেয়ে ভুট্টা চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।





