সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার এমপি প্রার্থী বীথিকার
লক্ষ্মীপুর-৪ রামগতি-কমলনগর উপজেলায় নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসাধারণের সমর্থন পেতে কমলনগর ও রামগতি উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মরহুম শফিউল বারী বাবুর সহধর্মিনী ও অর্পণ আলোক সংঘের
প্রতিষ্ঠাতা মিসেস বীথিকা বিনতে হোসাইন বাবির পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী এই নেত্রীর কমলনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলার চর ফলকন ও চর জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট ও চর লরেন্স বাজারে এবং চর কাদিরা ইউনিয়নের ফজুমিয়ার হাটে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নানা শ্রেণির পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বাজার এলাকা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় প্রথমবারেই চমক দেখালেন ধানের শীষের শকু
পথসভায় কমলনগর উপজেলার মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেদোয়ানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মিসেস বীথিকা বিনতে হোসাইন বাবি।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুদুল বারী, লক্ষ্মীপুর জেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি আবু সায়েদ শাহীন, কমলনগর উপজেলার মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান, চর মার্টিন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রকিসহ আরও অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন: ফুলের শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীথিকা বিনতে হোসাইন বাবি বলেন, অনেক তো দল দেখেছেন, অনেকের কাছে সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু সময় এসেছে নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়ার। আমরা রাজনীতি করতে এসেছি মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের সমস্যার সমাধান করতে। আপনাদের ভোট ও ভালোবাসা পেলে আমরাই আপনাদের অধিকার রক্ষা করব।
সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুদুল বারী বলেন, আমরা আপনাদের দোয়া চাই। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের রাজনীতি। এমন কাউকে ভোট দেবেন না, যার কাছে যেতে ভয় বা সংকোচ হয়। বরং যিনি আপনাদের দোরগোড়ায় এসে খোঁজখবর নেবেন, সুখ-দুঃখের সঙ্গী হবেন, তাকেই আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিন।
এছাড়া সভায় বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর জেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি আবু সায়েদ শাহীন, কমলনগর উপজেলার মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহসভাপতি জামাল আফগানীসহ মৎস্যজীবী দলের নেতৃবৃন্দ।
সভায় অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষরা বলেন, আমরা অনেক দিন ধরে নানা সমস্যায় ভুগছি। রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে কৃষকের ন্যায্যমূল্য পাওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যার সমাধান পাইনি। পুরোনো নেতারা শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিয়েছেন। নতুন নেতৃত্ব যদি সত্যিই আমাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে আমরাও তাদের পাশে থাকব।
আরেকজন স্থানীয় কৃষক বলেন, আমরা চাই এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি গ্রামের মানুষের কথা বলবেন, মাঠে-ময়দানে ঘুরে আমাদের কষ্ট বুঝবেন। এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত। আমাদের দাবি, এখন সময় এসেছে নতুন নেতৃত্বকে সুযোগ দেওয়ার।





