নিখোঁজের দুই দিন পর সিএনজিচালকের মরদেহ নবীগঞ্জ থেকে উদ্ধার

Sanchoy Biswas
স্বপন রবি দাশ, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:৫৭ অপরাহ্ন, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৮ অপরাহ্ন, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর তুহিন মিয়া (২৩) নামের এক সিএনজি অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের সাতাইহাল গাজীর মোকাম এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তুহিন মিয়া বাহুবল উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে।

আরও পড়ুন: ভৈরবে সেরা বিদ্যালয়ের সম্মাননা পেল কমলপুর মোজাফফর বেপারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তুহিনের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় পরদিন তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বাহুবল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

বুধবার সকালে সাতাইহাল গাজীর মোকাম এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে তুহিনের স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন। গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন: লংলা কলেজে নজরুল বিষয়ক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন বলেন, তুহিন সিএনজি অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হয়েছিলেন। বুধবার তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে হত্যা করে সিএনজি অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তুহিনের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ বলছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।