সমবায় আন্দোলন অব্যাহত থাকলে কোনো শিশু শিক্ষার বাইরে থাকত না: রিজভী

Shahrier Islam Pallab
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৫৫ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশে সমবায় আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে প্রতিটি পরিবারের সন্তানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হতো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, একসময় সমবায় আন্দোলন সারাদেশে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছিল। সেই উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে কোনো পরিবারের সন্তান নিরক্ষর থাকত না কিংবা বিদ্যালয়ের বাইরে পড়ে থাকত না। শিক্ষা, পুষ্টি ও খাদ্যের মতো মৌলিক চাহিদা পূরণেও সমবায় বড় ভূমিকা রাখতে পারত।

আরও পড়ুন: নোবিপ্রবির জমি পুনরুদ্ধারে আইনগত বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুরের কালীগঞ্জে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের কুচিলাবাড়ি (জোড়া পাম্প) এলাকার কালব রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমবায় বিভাগ। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’।

আরও পড়ুন: সহযোগিতা ও সংহতি যত শক্তিশালী হবে, রাষ্ট্র ততই শক্তিশালী হবে: সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক

রিজভী বলেন, সমবায় কেবল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষা, খাদ্য ও পুষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। সমবায়ের শক্তিকে কাজে লাগানো গেলে সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষও উন্নয়নের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, কালীগঞ্জে সমবায় কার্যক্রম চললেও সারাদেশে এ উদ্যোগকে একইভাবে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। গ্রাম থেকে উপজেলা পর্যন্ত সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে পারলে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম. কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন ও জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূইয়া।

এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানিয়া তাবাসসুম, কালবের চেয়ারম্যান আগস্টিক পিউরিফিকেশন, উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা এবং উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সমবায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা সমবায়ের মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক বৈষম্য কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।