এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষাকেন্দ্রে কড়া নজরদারি
সারা দেশে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। একই সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলো পৃথক প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত রাখতে এবার সব পরীক্ষাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা ও ডিজিটাল নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বডি–ওর্ন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত প্রায় ২৫ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৭
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন।
প্রথম দিনে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিমের কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি (বিএমটি) কোর্সের বাংলা–২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ঢাবিতে প্রথম সমন্বিত বৃক্ষ শুমারির ফল প্রকাশ
পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গঠন করা কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে দেশের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছেও বডি–ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ৮ আগস্ট এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন কোর্সের তাত্ত্বিক পরীক্ষা জুলাই ও আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে।
এ বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি। পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে মোট ২ হাজার ৬৯৭টি। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ৬২৬টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্র রয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে ৩ লাখ ৩৯৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশালে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।





