দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূলের ৬ নেতা আটক

Any Akter
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৪৩ অপরাহ্ন, ১০ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৬:২০ অপরাহ্ন, ১০ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দলটির পাঁচ সংসদ সদস্যকেও আটক করা হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক হওয়া তৃণমূলের সংসদ সদস্যরা হলেন দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম ও সাকেত গোখলে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকে দিল্লিতে ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। ওই কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে বের হওয়ার সময় বাধার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলবে: ককরোচ জনতা পার্টি

মমতা তখন দিল্লির ১৮৩ সাউথ অ্যাভিনিউয়ে তৃণমূলের সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে বাইরে যেতে না পেরে দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে বাসভবনের সামনের বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তিনি।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাসভবন থেকে বের হতে বাধা দেওয়া হয়। প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের সুযোগ না পাওয়ায় তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে সড়কের পাশে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।

আরও পড়ুন: ভারতে তরুণদের বিক্ষোভ, এবার আটক বলিউড তারকা ইমরান খান

আটকের আগে সাংবাদিকদের মমতা বলেন, তারা আন্দোলনে যোগ দিতে বের হয়েছিলেন এবং জেন-জি বা তরুণ প্রজন্ম তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তার অভিযোগ, সিজেপির কর্মীদেরও আটক করা হয়েছে, অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কাউকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

মমতা আরও বলেন, তারা সব সময় ছাত্র ও তরুণদের পাশে রয়েছেন। যন্তর মন্তরে যেতে বাধা দেওয়া হলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডেই অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। তার অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের বাসে তুলে দীর্ঘ সময় শহরের বিভিন্ন সড়কে ঘোরানো হচ্ছে। অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গেও একই ধরনের আচরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।