কোন ডিমটি বেশি উপকারী? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত

Any Akter
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:২০ অপরাহ্ন, ০১ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১০:১২ অপরাহ্ন, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বর্তমানে বাজারে নানা রঙের ডিম পাওয়া যায়। এক সময় যেখানে সাদা রঙের ডিমের চাহিদা বেশি ছিল, এখন সেখানে লালচে বা খয়েরি ডিমের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। তবে কোনটি বেশি উপকারী— তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই তৈরি হয় দ্বিধা।

আলাদা রং কেন?

আরও পড়ুন: পেশী গঠনে যে খাবারগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের খোসার রঙ আসলে নির্ভর করে মুরগির জাতের ওপর, পুষ্টিগুণের ওপর নয়। মুরগির জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই এই রঙের পার্থক্য দেখা যায়।

সাধারণত যেসব মুরগির পালক সাদা বা হালকা রঙের হয়, তারা সাদা ডিম পাড়ে। অন্যদিকে, গাঢ় রঙের পালকযুক্ত মুরগির ডিম হয় লালচে বা খয়েরি। অর্থাৎ, ডিমের রঙ তার পুষ্টিগুণ নির্ধারণ করে না।

আরও পড়ুন: মটরশুঁটি খেলে যে ৫টি উপকার পাওয়া যায়

পুষ্টিগুণে পার্থক্য কী?

গবেষণায় দেখা গেছে, একই ওজনের সাদা ও লালচে ডিমে প্রায় সমান পরিমাণ প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে।

কিছু ক্ষেত্রে লালচে ডিমের ওজন সামান্য বেশি হতে পারে, কিন্তু তাতে পুষ্টিগুণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হয় না।

এই সামান্য পার্থক্যটি নির্ভর করে মুরগির জাত, খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত অবস্থার ওপর।

কোনটি কেনা উচিত?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডিমের রং নয়, উৎপাদন পদ্ধতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেনার সময় দেখা উচিত— ডিমটি জৈব পদ্ধতিতে উৎপন্ন হয়েছে কি না রাসায়নিক বা হরমোন ছাড়া মুরগি পালন করা হয়েছে কি না এবং ডিমটি টাটকা কি না সাদা বা লালচে উভয় প্রকারের ডিমই নিরাপদ ও পুষ্টিকর, যদি তা সঠিকভাবে উৎপন্ন ও সংরক্ষিত হয়।