তফসিলের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ইসির সংলাপ কাল থেকে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী বৃহস্পতিবার ১২টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসছে, যদিও কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা নেই। সকাল ও বিকেলে দুই দফায় অনুষ্ঠিতব্য এই আলোচনায় ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য দলও অংশ নেবে। তবে নিবন্ধন স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
প্রথম দিনের সকালবেলার সেশনে ডাকা হয়েছে
আরও পড়ুন: শিক্ষার লক্ষ্য শুধু চাকরি নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ে তোলা: প্রধান উপদেষ্টা
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে।
বিকালের সেশনে থাকবে
আরও পড়ুন: পবিত্র রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)।
মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসতে যাচ্ছে ইসি। সব নিবন্ধিত দল নিয়েই আলোচনা করা হবে।
তিনি আরও জানান, সংলাপে আচরণবিধি ও আরপিও সংশোধনী, এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে দলগুলোর সহযোগিতা—এই বিষয়গুলো আলোচনায় আসবে।
সংলাপ শেষে আচরণবিধি বা আরপিওতে নতুন করে সংশোধন আনা হবে কি না—জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, অপেক্ষা করেন।
আচরণবিধির নতুন পরিবর্তন
ইসি সচিব জানান, নতুন আচরণবিধিতে পোস্টার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একজন প্রার্থী একটি জনসভায় তিনটির বেশি মাইক ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে একাধিক সভা করলে প্রতিটিতে তিনটি করে মাইক ব্যবহার করা যাবে
এ ছাড়া লিফলেট ও ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে, তবে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এমন স্থাপনা নিষিদ্ধ।
বাগেরহাটের সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্র্নিধারণ নিয়ে আদালতের রায় প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, আগে বাগেরহাটে চারটি আসন ছিল, সেটি তিনটি করে গেজেট প্রকাশ করেছিল কমিশন। হাইকোর্টের রায়ে আবার চারটি পুনর্বহাল করা হয়েছে। আমরা এখনো সার্টিফাইড কপি পাইনি। সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—আপিল করা হবে নাকি রায় মেনে নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, সীমানা পুনর্র্নিধারণ নিয়ে ৩০টিরও বেশি রিট বিচারাধীন রয়েছে, যা নির্বাচনী প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
গণভোট আয়োজনের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, গণভোট বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সচিবালয় পর্যায়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাইনি।





