ঈদের আগেই ইমাম–মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ভাতা দেবে সরকার

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ন, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৩ অপরাহ্ন, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঈদের আগেই খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিমদের সন্মানি প্রদানের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে শুরু করবে সরকার।

শনিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর এক ব্রিফিঙে  মন্ত্রিসভা বৈঠকের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান, ছয়জন আটক

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের যে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিলো সেগুলোর কয়েকটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মূলত আজকের বৈঠকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেছেন আমাদের একটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি যেটি বিভিন্ন মসজিদের সন্মান্বিত খতিব সাহেব, সন্মান্বিত ইমাম সাহেব, সন্মান্বিত মুয়াজ্জিম সাহেবসহ অন্যান্য ধর্মের যারা রয়েছেন সেই সব ধর্মগুরুদের জন্য আমাদের একটা প্রতিশ্রুতি ছিলো যে, মাসিক সন্মানি ও উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে।”

‘‘ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আজকের বৈঠকে একটা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে , ইনশাল্লাহে ঈদের আগেই পর্যা্য়ক্রমে শুরুর যে প্রস্তুতি সেটি শেষ করে কিছু কিছু জায়গায় সন্মান্বিত খতিব সাহেবদের, ইমাম সাহেবদের, মুয়াজ্জিন সাহেবদের একটি সন্মানি প্রদান করা করব ইনশাল্লাহ।”

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘‘ ঈদের আগে বেশ কিছু জায়গায় এই কার্যক্রম শুরু হবে।”

মাহদী আমিন বলেন, ‘‘ এর পাশাপাশি বিএনপির একটি বড় নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিলো যে, সারা বাংলাদেশে মেধার ভিত্তিতে বৈষ্যমবিহীন ভাবে যেন আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারি… সরকারি চাকুরির ক্ষেত্রে, বেসরকারি চাকুরির ক্ষেত্রে, উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠার ক্ষেত্রে এবং বর্হিবিশ্বে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে কিভাবে আমরা আরও  দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি গড়ে তুলতে পারি, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার  প্রয়োজনীয় সংস্কার কিভাবে আনবো এবং তার মাধ্যমে আমাদের জনশক্তিকে কিভাবে কর্মক্ষম দ্রুততার সাথে তাদের জন্য চাকুরি এবং ব্যবসার সুব্যবস্থা করতে পারবো তার জন্য যে ডি-রিজুলেশন প্রয়োজন তার জন্য যে ব্যবসা-বানিজ্য ও শিল্প কারখানার নীতিমালা প্রয়োজন রয়েছে সংস্কারের জন্য।

টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল এডুকেশনকে আরও কিভাবে প্রাধান্য দেবো আমরা। বিদেশে যেসব দূতাবাস রয়েছে এবং বাংলাদেশে যেসব দূতাবাস রয়েছে তাদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কিভাবে আমাদের জনশক্তিকে আরও দক্ষ ও যোগ্য করে বিদেশে পাঠাতে পারব এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট যেসব মন্ত্রীবর্গ রয়েছেন, সচিববর্গ রয়েছেন উনারা উনাদের মূল্যবান মতামত দিয়েছেন এবৎং ইনশাল্লাহ খুব দ্রুততম সময়ের ভেতরে জনগনের প্রতি জবাবদিহিমূলক এ রাষ্ট্র ব্যবস্থা ,জনগনের সরকার আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাস্তবায়ন করা শুরু করব ইনশাল্লাহ।”

ব্রিফ্রিঙে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শনিবার তেজগাঁও কার্যালয়ে তারেক রহমানের প্রথম অফিসে আসা এবং দিনের কর্মসূচিগুলোও তুলে ধরেন উপদেষ্টা।

ব্রিফিঙের  সময়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন

দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর  কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেবার পরে প্রধানমন্ত্রীর এটি দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। প্রথমটি হয়েছিল গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে।