বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৯, ক্ষতিগ্রস্ত ৭ জেলার ৫৬ উপজেলা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৩৫ অপরাহ্ন, ১৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৫ অপরাহ্ন, ১৮ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের সাত জেলায় চলমান বন্যা, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দুর্যোগে বর্তমানে ৫৬টি উপজেলা, ৩৭৪টি ইউনিয়ন এবং চারটি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ২৯৮ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: যত ট্রল-অপবাদই আসুক, দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হব না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগে এখন পর্যন্ত রাঙামাটিতে ৩ জন, বান্দরবানে ৭ জন, কক্সবাজারে ৩২ জন (স্থানীয় ১৯ ও রোহিঙ্গা ১৩), চট্টগ্রামে ১৬ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন মারা গেছেন।

আরও পড়ুন: আগামী মাসে চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, মিলবে ১০ বিশেষ সুবিধা

এ ছাড়া বিভিন্ন ঘটনায় মোট ৪০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে খাগড়াছড়িতে ১ জন, বান্দরবানে ২ জন, কক্সবাজারে ২৫ জন (স্থানীয় ২০ ও রোহিঙ্গা ৫) এবং চট্টগ্রামে ১২ জন আহত হয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নগদ অর্থ, চাল, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গোখাদ্য, ঢেউটিন এবং গৃহ নির্মাণ অনুদানসহ বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।

জেলাভিত্তিক বরাদ্দের মধ্যে কক্সবাজারে দেওয়া হয়েছে ৪০ লাখ টাকা নগদ, ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, এক হাজার বান্ডিল ঢেউটিন, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য। চট্টগ্রামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭৫ লাখ টাকা নগদ, এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, এক হাজার বান্ডিল ঢেউটিন, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য।

এ ছাড়া বান্দরবানে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২০ লাখ টাকা নগদ, ৪০০ মেট্রিক টন চাল, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে নগদ অর্থ, চাল, শুকনো খাবার, ঢেউটিন এবং গৃহ নির্মাণ অনুদান বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।