নির্বাচন বিধিভঙ্গে বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৮ অপরাহ্ন, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২:০২ অপরাহ্ন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যশোর প্রতিনিধি: তফশিল ঘোষণার পরেও নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালানোর অভিযোগে যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ূবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ভুপালী সরকার স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী ভোট গ্রহণের তারিখের পূর্ববর্তী তিন সপ্তাহের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য কেউ কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার চালাতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: নাম ভাঙিয়ে অপকর্মে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: যুবদলের কেন্দ্রীয় সতর্কবার্তা

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে অনুমোদন ছাড়াই বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারের উদ্দেশ্যে মিছিল ও শোডাউন করা হয়, যা আচরণবিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে যশোর-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ূবের বিরুদ্ধে কেন বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে দুই দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ূব জানান, তিনি মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে নোটিশটি পেয়েছেন এবং দুপুরেই এর জবাব দিয়েছেন। জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, দলের তৃণমূল পর্যায়ের অনেক কর্মী আচরণবিধি সম্পর্কে অবগত নন। রায়পুর বাজার এলাকায় তারা সমবেত হয়ে একটি মিছিল করেন। এ ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে আশ্বস্ত করেছেন।

আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী আসনে শপথ নিলেন নুসরাত তাবাসসুম

এদিকে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ভুপালী সরকার বলেন, ১৫ ডিসেম্বর ধানের শীষের পক্ষে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠানো হয়েছিল। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে শোকজ করা হয়। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।