আপিলেও থামল মনিরা শারমিনের পথ, জীবা আমিন ও মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বহাল

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:৫২ অপরাহ্ন, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫২ অপরাহ্ন, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে ঘিরে দাখিল করা একাধিক আপিল শুনানির পর বড় ধরনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আপিল করেও প্রার্থিতা পুনরুদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনিরা শারমিন। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জীবা আমিন খান ও মাধবী মার্মার প্রার্থিতা নিয়ে করা আপিলগুলো খারিজ হওয়ায় তাদের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত আপিল শুনানির প্রথম দিন শেষে এসব সিদ্ধান্ত জানায় নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন: মারা গেছেন সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ

সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর নির্ধারিত তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় এনসিপি প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তই বহাল রাখে ইসি। নির্বাচন কমিশনের মতে, বিধিগত যোগ্যতা পূরণ না করায় তার প্রার্থিতা পুনর্বহাল করার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, মনিরা শারমিনের আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। ফলে তার মনোনয়ন বাতিলই বহাল থাকছে।

আরও পড়ুন: ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি আবদুস সাদেকের মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর শোক

রায়ের পর মনিরা শারমিন জানান, কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। তার ভাষায়, “আইনের ব্যাখ্যার অস্পষ্টতার কারণে নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। আমরা এ বিষয়ে হাইকোর্টে যাব।”

অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জীবা আমিন খানের বিরুদ্ধে করা আপিল গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের ব্যাখ্যায় বলা হয়, আপিলকারী যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী না হওয়ায় আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হয়নি। ফলে জীবা আমিন খানের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার জানান, “আপিলটি আইনগতভাবে যথাযথ ছিল না। তাই এটি খারিজ করা হয়েছে।”

এছাড়া বিএনপি মনোনীত আরেক প্রার্থী মাধবী মার্মার মনোনয়ন নিয়েও আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তবে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে আইনগত ভিত্তি যথাযথভাবে উপস্থাপন না হওয়ায় আপিল খারিজ করে দেয় কমিশন। এতে তার প্রার্থিতাও বৈধভাবে বহাল থাকে।

আপিলকারী চন্দ্রা চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, শুনানিতে জানানো হয়েছে—আপিল করার ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী কেবলমাত্র ‘সংক্ষুব্ধ প্রার্থী’ হওয়া আবশ্যক। সেই শর্ত পূরণ না হওয়ায় তার আবেদন গ্রহণ হয়নি। তিনি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।