সোনাগাজীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার -৪
ফেনীর সোনাগাজীতে পরকিয়ায় বাধা দেওয়ার জেরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রোববার রাত ১১টার দিকে উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের চর সাহাভিকারি গ্রামের ফয়সল কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত মামুন হোসেন, তার স্ত্রী ও শাশুড়িসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনাগাজী থানার ওসি।
জানাগেছে, উপজেলার জমাদার বাজারের চা দোকানদার জামশেদ আলমের সাথে পাশ্ববর্তী ফয়সল কলোনির ভাড়াটিয়া মামুন হোসেনের স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ নিয়ে গোপনে ধারণকৃত কিছু ছবি-ভিডিও সংগ্রহ করেন চর সাহাভিকারি গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে সুজন (২৫)।
আরও পড়ুন: পলিমাটি'র উদ্যোগে বর্ষবরণ, আনন্দ শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
রোববার রাতে এসব ছবি নিয়ে মামুনের বাসায় যায় সুজন। এসময় ছবি ও ভিডিও গুলো ধারণ এবং ফেসবুকে প্রচার করা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মামুন হোসেন (৩৩), তার স্ত্রী আছমা বেগম (২৪), শাশুড়ি লিপি আক্তার (৪০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুজনকে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে সুজনকে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়ার পথে সুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান নিহতের মা।
মামুন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌপাল্লি গ্রামের সোলেমানের ছেলে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ
সোনাগাজী থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, সুজন হত্যার ঘটনা তার মা রহিমা বেগম বাদি হয়ে ৪ জনের নামোল্লেখ করে মামলা করেছেন। ভোররাতে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মামুন হোসেন, তার স্ত্রী আছমা আক্তার, শাশুড়ি লিপি আক্তার ও আবদুর রহিমের ছেলে জামশেদ আলমকে আটক করা হয়েছে।





