গাবতলীতে মধ্যরাতে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা
বগুড়ার গাবতলীতে মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে রীতা রানী মজুমদার (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত রীতা রানী মজুমদার ওই গ্রামের বিধান চন্দ্র রায়ের স্ত্রী।
গতকাল (২০ মে) বুধবার দিবাগত রাত ১২টায় উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের মমিনহাটা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রীতা রানী মজুমদারের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তারা লেখাপড়ার কারণে ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে স্বামী বিধান রায় ও স্ত্রী রীতা রানী মজুমদার দুজনে বসবাস করতেন।
আরও পড়ুন: অতিবর্ষণ ও পাহাড়ধসে মৃত বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি ১ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি পরিবার
নিহতের স্বামী বিধান চন্দ্র রায় জানান, বুধবার রাত ১০টার সময় স্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার শেষে আলাদা ঘরে ঘুমাতে যান। রাত সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ নিজের ঘরের দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তাঁর স্ত্রীর ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে দ্রুত সেখানে যান। ঘরে ঢুকে রীতা রানী মজুমদারকে গলাকাটা অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখতে পান। পরে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এ সময় বাড়ির সদর দরজা খোলা অবস্থায় ছিল বলে জানান তিনি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: হরিদাসের অর্থের উৎস ও দাতাদের পরিচয় জানতে চায় পুলিশ
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায়। নিহতের মরদেহ গলাকাটা অবস্থায় শয়নকক্ষের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
অপরদিকে গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিব হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রীতা রানী মজুমদার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো আটক করা হয়নি। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা সম্ভব হয়নি। তথ্য উদ্ঘাটন ও হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।





