ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

Sanchoy Biswas
রাকিবুল আওয়াল পাপুল, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ন, ২০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৯:০৮ পূর্বাহ্ন, ২১ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়ী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৩২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বৃদ্ধি পাচ্ছে ভোগাই ও মহারশী নদীর পানি। দ্রুত পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ও যোগানিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শেরপুর-গাজীরখামার-নালিতাবাড়ী সড়কের বালুঘাটা গোল্লারপাড় এলাকায় পাকা সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এছাড়া পানি বৃদ্ধির ফলে ঝিনাইগাতি সদর বাজারে ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বেড়েছে। সাধারণ মানুষ পানি ভেঙে চলাচল করছে। পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে কয়েকটি মাছের ঘের। পানির নিচে তলিয়ে গেছে গ্রীষ্মকালীন সবজিখেত ও সদ্য রোপণ করা আমনের বীজতলা।

আরও পড়ুন: ফেনী জেলা কারাগারে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

স্থানীয়রা বলছেন, প্রতি বছর আকস্মিক বন্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ হিসেবে তারা জানান, নদীর নাব্যতা সংকট এবং চারটি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বাড়িঘর নির্মাণ ও মাছ চাষ।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্যাকবলিত পরিবারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চালসহ শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি, নিরাপত্তা ও বন্দিসেবার মানোন্নয়নে একাধিক নির্দেশনা